নিউজিল্যান্ড নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৬২ রান করে অল আউট হয়। প্রথম ইনিংসের ১০০ রানের লিড মিলিয়ে ইংল্যান্ডের সামনে দাঁড়ায় ৪৬৩ রানের বিশাল লক্ষ্য। হেনরি নিকোলস ১২১ ও ড্যারিল মিচেল ৬৮ রান করেন। নিচের সারিতে ন্যাথান স্মিথের ৩৮ রানও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। চতুর্থ ওভারে কাইল জেমিসনের আঘাতে ফিরে যান এমিলিও গে (১১) ও জ্যাকব বেথেল (০)। দলীয় সংগ্রহ তখন মাত্র ১৩ রান, আর সেই পরিস্থিতিতেই চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন রুট।
উইকেটে এসেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। সপ্তম ওভারে এক রান নিয়ে পূর্ণ করেন টেস্টে ১৪ হাজার রান। এই কীর্তি এর আগে ছিল কেবল ভারতীয় কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকারের দখলে।
তবে ইংল্যান্ডের শুরুর ধাক্কা থামেনি। ৯ রান করে বেন ডাকেটও দ্রুত বিদায় নিলে ৪০ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। একপর্যায়ে চতুর্থ দিনেই ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল।
সেই অবস্থায় হ্যারি ব্রুককে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রুট। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ব্রুক মাত্র ৩৩ বলে অর্ধশতক তুলে নেন। অন্য প্রান্তে ধৈর্য ধরে খেলতে থাকা রুটও ৮১ বলে পৌঁছে যান নিজের পঞ্চাশে। দুজনের জুটিতে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে ইংল্যান্ডের শিবিরে।
তবে জুটিটি বড় হতে দেননি ম্যাট হেনরি। ৫৪ বলে ৫৮ রান করা ব্রুককে ফিরিয়ে ৯৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভাঙেন তিনি। পরে অভিষিক্ত জেমস রুও ১৫ রান করে বিদায় নেন। দিনের শেষ ভাগে আবারও চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।
তবু আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন রুট। ১৩৭ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি। তার সঙ্গে আছেন জর্ডান কক্স। পঞ্চম দিনের শুরুতে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ২৮১ রান, আর নিউজিল্যান্ডের দরকার মাত্র পাঁচ উইকেট।