চেন্নাইয়ে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতের পেস আক্রমণের সামনে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। নতুন বলে বাড়তি বাউন্স ও সুইং কাজে লাগিয়ে একের পর এক আঘাত হানেন প্রসিধ। রহমানউল্লাহ গুরবাজকে স্লিপে রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ বানিয়ে উইকেট নেয়া শুরু করেন তিনি।
এরপর রহমত শাহ ও ইব্রাহীম জাদরানও একইভাবে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে তিনটি ক্যাচই নেন রোহিত। প্রথম স্পেলে প্রসিধ ছিলেন দুর্দান্ত। তার বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৫ ওভারে ২ মেডেন, মাত্র ৬ রান খরচায় ৪ উইকেট। ডারউইশ রাসুলি তাকে আক্রমণ করতে গিয়ে শ্রেয়াস আইয়ারের দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন।
৩৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর আফগানিস্তানের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন আজমতুল্লাহ ওমরজাই ও অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শহীদি। দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন জুটিরও সেঞ্চুরি পূরণ হয়। প্রিন্স যাদব ভাঙেন এই জুটি। বাউন্সারে হুক করতে গিয়ে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দেন ৫০ রান করা ওমরজাই। এরপর মোহাম্মদ নবিকে নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন শহীদি।
শহীদি ১০২ করে ফিরলে ইনিংসের শেষ দিকে আবারও ধস নামে আফগান শিবিরে। গুরনুর ব্রারের বাউন্সারে আক্রমণ করতে গিয়ে বোল্ড হন নবি। এরপর মাত্র সাত বলের ব্যবধানে তিনটি উইকেট হারায় আফগানিস্তান। ফলে ইনিংস আর বড় হয়নি আফগানদের। ২০৩ রানে ৬ উইকেট থেকে মুহূর্তেই ২০৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান। শেষমেশ ২১৮ রানে অল আউট হয় তারা।
ছোটো লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার জায়সাওয়াল ও রোহিত। দুই ওপেনারের ১৭০ রানের জুটি ম্যাচের ফল প্রায় নিশ্চিত করে দেয়। জয়সাওয়াল ছক্কা মেরে নিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে শতক পূর্ণ করেন। রোহিতও ভালো ছন্দে ছিলেন। তিনি ৬৯ বলে ৭৯ রান করে নবির শিকার হন। শেষদিকে ভারতকে আর কোনো ধাক্কা খেতে দেননি আইয়ার ও জায়সাওয়াল। এর মধ্যে জায়সাওয়াল অপরাজিত থাকেন ১১০ রান নিয়ে আইয়ার ২০ রান নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন।