সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বৃষ্টি বাগড়া দেয় ম্যাচের একদিন আগে থেকেই। ধারাবাহিক বৃষ্টির কারণে প্রথম দুই দিনে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। তৃতীয় দিনে এসে টস করা সম্ভব হয়। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহফিজুল ও জাকির হাসান দুই বল খেলার পর আবারও হানা দেয় বৃষ্টি। তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলটা ক্রিকেটারদের কেটেছে অবসরে।
চতুর্থ দিনের সকালেও বৃষ্টি ছিল। টানা বৃষ্টির পর সকাল ১০ টা ৫০ মিনিটে ম্যাচ শুরু হয়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা প্রত্যাশিতভাবে হয়নি বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের। খুব একটা স্বস্তিতে ছিলেন না জাকির হাসান। ইনিংসের দশম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। টিনো মাপোসার অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া ফুলার লেংথ ডেলিভারিটা বেরিয়ে যাচ্ছিল। এমন ডেলিভারিতে জায়গায় দাঁড়িয়ে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন জাকির।
ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় প্রথম স্লিপে। ২২ বলে ৩ রান করে ফিরতে হয় বাঁহাতি ওপেনার। এরপর দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন অমিত ও মাহফিজুল। দুজনেই প্রায় ওয়ানডে মেজাজে রান তোলার চেষ্টা করেছিলেন। বিশেষ করে দ্রুত রান তুলছিলেন অমিত। দারুণ ব্যাটিংয়ে ৭১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মাহফিজুল। অমিত হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৬২ বলে।
সেঞ্চুরির করার সুযোগ থাকলেও ১৬ চারে ১০৭ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড আউট হয়ে ফেরেন মাহফিজুল। চারে নেমে দেখেশুনে খেলছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। যদিও রান তোলার গতি কমাননি অমিত। সেঞ্চুরি করার সুযোগ ছিল তার সামনেও। তবে ৩৯ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ রানের পুঁজি নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ১৩ ও চার এক ছক্কায় ৮৯ বলে ৯০ রান করে অপরাজিত ছিলেন অমিত। ২১ বলে ২১ রান করেছেন অঙ্কন।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশকে কোনো সুযোগই দেননি তারিসাই মুসাকান্দা ও তানুনুরওয়া ম্যাকোনি। সাবধানী ব্যাটিংয়ে ২৯ ওভারে বিনা উইকেটে ৯৪ রান তোলেন তারা দুজন। ৭ চার ও এক ছক্কায় ৮৮ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত ছিলেন মুসাকান্দা। আরেক ওপেনার ম্যাকোনি করেছেন ৮৬ বলে ৩৩ রান। দুই অধিনায়ক শেষ পর্যন্ত ড্র মেনে নেন।