সিরিজ হারের পর শাস্তি পেলেন সালমান আঘা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান
সালমান আলী আঘা ও সাজিদ খান
সালমান আলী আঘা ও সাজিদ খান
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেটে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে আইসিসির আচরণবিধি লঙ্ঘন করে শাস্তি পেয়েছেন পাকিস্তানের ব্যাটার সালমান আলী আঘা। লেভেল ওয়ানের অপরাধ হওয়ায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়েছে তাকে।

গত ২৪ মাসে এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় অপরাধ। ফলে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। এর আগে চলতি বছরের ১৩ মার্চ ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচেও তিনি একই অপরাধে শাস্তি পেয়েছিলেন। সালমান আইসিসির আচরণবিধির ২.২ অনুচ্ছেদ ভঙ্গ করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এই অনুচ্ছেদটি ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালে ক্রিকেট সরঞ্জাম, পোশাক, মাঠের যন্ত্রপাতি বা স্থাপনা ও ফিটিংসের অপব্যবহার’ এর সঙ্গে সম্পর্কিত। ঘটনাটি মঙ্গলবারের তখন পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা চলছিল। ইনিংসের ৮২তম ওভারে আউট হওয়ার পর প্যাভিলিয়নে ফেরার পথে ব্যাট দিয়ে একটি বিজ্ঞাপন বোর্ডে আঘাত করেন।

সালমান অপরাধ স্বীকার করে আইসিসি এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন। ফলে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। মাঠের আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো ও আলাউদ্দিন পালেকার, তৃতীয় আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা এবং চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল অভিযোগটি উত্থাপন করেছিলেন।

লেভেল ১ ভঙ্গের শাস্তি হিসেবে সর্বনিম্ন আনুষ্ঠানিক তিরস্কার, সর্বোচ্চ ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা এবং এক বা দুইটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হতে পারে। সেই তুলনায় শাস্তি নূন্যতম শাস্তি পেয়েছেন সালমান। কোনো খেলোয়াড় ২৪ মাসের মধ্যে চার বা তার বেশি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে সেগুলো সাসপেনশন পয়েন্টে রূপান্তরিত হয়।

এর ফলে ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা। দুই সাসপেনশন পয়েন্টের শাস্তি হলো একটি টেস্ট অথবা দুটি ওয়ানডে কিংবা দুটি টি-টোয়েন্টি থেকে নিষেধাজ্ঞা। মূলত সামনে যে সিরিজ থাকে সেটিতেই কার্যকর করার বিধান রয়েছে। ডিমেরিট পয়েন্ট খেলোয়াড়দের রেকর্ডে ২৪ মাস পর্যন্ত বহাল থাকে। এরপর তা মুছে ফেলা হয়।

আরো পড়ুন: