মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে ১০৪ রানে হারে পাকিস্তান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করে ৪১৩ রান, জবাবে পাকিস্তান করে ৩৮৬ রান। এরপর ৯ উইকেটে ২৪০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান করে ১৬৩ রান।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও ছিল একই রকমের চিত্র। আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ করে ২৭৮ রান। জবাবে পাকিস্তান করে ২৩২ রান। এরপর বাংলাদেশ ৩৯০ রান করলে পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের। এবার পাকিস্তান অল আউট হয় ৩৫৮ রানে।
উইকেটের প্রশংসায় মাসুদ বলেন, 'যারা এই পিচগুলো তৈরি করেছেন তাদের আমি কৃতিত্ব দিতে চাই। পিচগুলো অসাধারণ ছিল। ব্যাটসম্যানদের জন্য রান ছিল, স্পিনারদের জন্য টার্ন ছিল এবং সিমারদের জন্য পেস, বাউন্স ও মুভমেন্ট- সবই ছিল। দুটি ভালো ক্রিকেট উইকেটে দারুণ লড়াই হয়েছে।'
'আমি সবসময়ই বেশি বেশি টেস্ট খেলার পক্ষে মত দিয়েছি। সেটা বাংলাদেশের বিপক্ষে হোক বা অন্য কোনো দলের বিপক্ষে। আমরা শুধু ২ ম্যাচের সিরিজের বদলে ৩ বা ৪ ম্যাচের সিরিজ খেলতে চাই। কারণ অনেক সময় নতুন কন্ডিশন বুঝতে একটা ম্যাচ লেগে যায়। লম্বা সিরিজ হলে দলগুলো নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়।'
২০২৪ সালে নিজেদের ধরের মাঠেও বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান। এবারও একই রকম ফলাফল আসায় বেশ হতাশ তিনি। তবে নিজেদের আত্মসমালোচনা করে দল হিসেবে এগিয়ে যেতে চান মাসুদ।
তিনি আরো বলেন, 'সিরিজ নিয়ে যদি বলি, তবে হ্যাঁ, ম্যাচ হারা কখনোই ভালো অনুভূতি দেয় না। কিন্তু এই সিরিজের উভয় ম্যাচেই আমার মনে হয়েছে আমাদের জেতার বা ভালো করার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। আমাদের নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে ভাবতে হবে, ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং সব বিভাগেই খতিয়ে দেখতে হবে আমরা কোথায় ম্যাচটি হেরেছি। দল হিসেবে সামনে এগিয়ে যেতে হলে এই আত্মসমালোচনা প্রয়োজন।'
'এই মুহূর্তে আমাদের দেখতে হবে টিমকে কীভাবে খেলতে হবে। আমরা যে ভুলগুলো করছি বা টেস্ট ক্রিকেটে আমাদের যে ঘাটতিগুলো আছে, তা আমরা কীভাবে পূরণ করব। খেলোয়াড়ের বয়স ৪০ বছর হোক বা ১৮ বছর- সেটা কোনো বিষয় নয়; বিষয় হলো আমাদের টিম হিসেবে কী প্রয়োজন, কার কী ভূমিকা প্রয়োজন এবং সেই কাজগুলো কে ভালোভাবে করতে পারছে।'