উইকেটে সবুজ ঘাসের ছোঁয়া থাকলেও একাদশে বিশেষজ্ঞ কোন স্পিনার রাখেনি অস্ট্রেলিয়া। ১৮৮৮ সালের পর এবারই প্রথম বিশেষজ্ঞ স্পিনার ছাড়া সিডনিতে টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছে স্বাগতিকরা। একই চিত্র ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও, নেই কোন বিশেষজ্ঞ স্পিনার। ১২ জনের দলে থাকলেও চূড়ান্ত একাদশে সুযোগ হয়নি শোয়েব বশিরের। তবে দলের প্রয়োজনে স্পিন করতে পারেন জ্যাকব বেথেল, রুট ও উইল জ্যাকসও।
এমন একাদশ নিয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি ইংল্যান্ড। চলতি অ্যাশেজে এখনো ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি বেন ডাকেট। সিডনি টেস্টের প্রথম ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার। মিচেল স্টার্কের অফ স্টাম্পের বাইরের ব্যাটে আলতো করে খেলার চেষ্টায় এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ডাকেট। ভালো শুরু পাওয়া ইংলিশ ওপেনার ৫ চারে ২৪ বলে ২৭ রান করে ফিরেছেন।
আরেক ওপেনার ক্রলি আউট হয়েছেন একটু পরই। মাইকেল নেসারের গুড লেংথ ডেলিভারিতে অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে বলের লাইনে যেতে না পারায় লেগ বিফোর উইকেট হয়ে ফিরতে হয়েছে ২৯ বলে ১৬ রান করে। সিডনি টেস্টের আগে বেথেল বলেছিলেন, তিন নম্বর পজিশনটা নিজের করে নিতে চান। যদিও পঞ্চম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ভালো করতে পারেননি তিনি।
স্কট বোল্যান্ডের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে আউট সাইড এজ হয়েছেন বেথেল। দুই চারে ২৩ বলে ১০ রান করে ফেরেন তিনি। দিনের বাকিটা অনায়াসে কাটিয়ে দিয়েছেন রুট ও ব্রুক। দুজনই পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। রুট ৬৫ বলে এবং ব্রুক পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৬৩ বলে। প্রথম দিনের খেলা শেষে রুট ১০৩ বলে ৭২ ও ব্রুক অপরাজিত আছেন ৯২ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলে। ইংল্যান্ডের স্বস্তির দিনে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন নেসার, স্টার্ক ও বোল্যান্ড।