বছরের প্রথম দিনেই আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। চোট সমস্যা ছাড়া দলে বদল আসার সুযোগ সীমিত, যদিও বিগ ব্যাশে কারও ব্যতিক্রমী পারফরম্যান্স থাকলে শেষ মুহূর্তে বিবেচনায় আসতে পারেন।
চোটাক্রান্ত ক্রিকেটারদের অবস্থা নিয়েই মূলত অপেক্ষা অস্ট্রেলিয়ার। কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড আগেই জানিয়েছেন, প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড ও টিম ডেভিড- এই তিনজন আপাতত স্কোয়াডে থাকছেন এবং জানুয়ারির শেষে তাদের চূড়ান্ত অবস্থা মূল্যায়ন করা হবে। এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় আছেন হ্যাজেলউড, যিনি শিগগিরই বোলিংয়ে ফিরবেন বলে কোচ নিশ্চিত করেছেন।
প্যাট কামিন্সের ক্ষেত্রে সতর্কতা আরও বেশি। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটে আর খেলেননি তিনি। গত জুলাইয়ে চোটে পড়ার পর সব মিলিয়ে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন, সেটিও গত মাসে অ্যাডিলেড টেস্টে। সেখানে স্বল্প প্রস্তুতি নিয়েও ছয় উইকেট নেন তিনি। জানুয়ারির শেষ দিকে আরেক দফা স্ক্যানের পর তার বিশ্বকাপ ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
সবচেয়ে বড় শঙ্কা টিম ডেভিডকে ঘিরে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে দারুণ সময় কাটাচ্ছিলেন তিনি। তবে বিগ ব্যাশে হ্যামস্ট্রিংয়ের গ্রেড টু টিয়ারে পড়ায় সময়ের সঙ্গে লড়াই করতে হবে তাকে। যদিও অস্ট্রেলিয়ার হাতে কিছুটা সময় আছে। বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচ ১১ ফেব্রুয়ারি।
দলে চমক বলতে জেভিয়ার বার্টলেটের অন্তর্ভুক্তি ও বেন ডোয়ারশুইসের বাদ পড়া। বাঁহাতি পেসার না রেখে নতুন বলে বার্টলেটের ওপর আস্থা রেখেছে দল। কামিন্স ও হ্যাজেলউড ফিট হলে তৃতীয় পেসার হিসেবে থাকবেন নাথান এলিস।
এ ছাড়া মিচেল ওয়েন বাদ পড়লেও কুপার কনোলি ফিরেছেন স্কোয়াডে। জশ ইংলিসই একমাত্র উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে আছেন। বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজেও এই স্কোয়াডই খেলবে।
অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, প্যাট কামিন্স, টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জস হ্যাজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথু শর্ট, মার্কাস স্টইনিস ও অ্যাডাম জাম্পা।