তিনটি করে ওয়ানডে এবং টেস্ট খেলতে বর্তমানে সাউথ আফ্রিকা সফরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮টি সাদা বলের ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে হবে তাদের। দেশের মাটিতে চার টেস্টের সিরিজে নিউজিল্যান্ডকেও আতিথ্য দেবে অজিরা। প্যাট কামিন্সদের পরের প্রতিপক্ষ ভারত। শুভমান গিল-লোকেল রাহুলদের বিপক্ষে পাঁচটি টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
আগামী বছরের মার্চে টেস্টের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি বিশেষ টেস্ট ম্যাচও খেলবে। জুন-জুলাইয়ে অ্যাশেজ খেলতে ইংল্যান্ড সফর করবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারলে বাড়তি আরও একটি ম্যাচ খেলতে হতে পারে। এসবের সঙ্গে যুক্ত হবে আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। অর্থাৎ ঠাসা সূচির মধ্য দিয়ে যেতে হবে অজিদের।
এমন পরিস্থিতিতে টেস্ট দলের ট্রাভিস হেড, কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড, স্টার্কদের মার্চে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলের জন্য ছাড়া হবে কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। স্টার্ক নিজেও নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না। আইপিএলে অংশগ্রহণ নিয়ে কুরিয়ার মেইল স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাঁহাতি পেসার বলেন, ‘আমরা কয়েকটা আলোচনা করেছি তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।’
অর্থাৎ দেশের ক্রিকেটের ব্যস্ততার জন্য আবারও আইপিএল ছাড়তে পারেন তিনি। ২০২৪ আইপিএলের মেগা নিলাম থেকে ১১ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে স্টার্ককে কিনে নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে ফেরার আগে ৮ বছরের বিরতিতে ছিলেন তিনি। এমনকি টেস্ট ক্যারিয়ার বড় করতে টি-টোয়েন্টি থেকেও অবসর নিয়েছেন স্টার্ক।
টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ম্যাকডোনাল্ড সেটার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন গত আগষ্টে। তিনি বলেছিলেন, ‘জানি, অনেকে দেশ নাকি ফ্র্যাঞ্চাইজি, এ ধরনের বিতর্কের কথা বলেন। কিন্তু এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদের পেসারদের শরীরকে বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়া। যাতে তারা নিজেদের পুরোপুরি প্রস্তুত করে নিতে পারে এবং সবাই যে ২০ বা ২১টি ম্যাচের কথা বলছে, সেগুলোতে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার সুযোগ পায়।’
‘আমাদের খেলোয়াড়দের ব্যাপারে আমি যেটা বলতে পারি, তারা পুরো পথচলায় ভালো সিদ্ধান্তই নেয়। আর এসব সিদ্ধান্তের পেছনে মেডিকেল দল ও কোচদের সঙ্গে আলোচনা থাকে। তারা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে চায়। এরপরই (আইপিএলের পর) রয়েছে অ্যাশেজ। আশা করছি, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালও থাকবে, এরপর বিশ্বকাপ। ওই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট আছে। তাই আমাদের কিছু সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’