হ্যাডিন ও হোপসের বিদায়ের খবর অবশ্য পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত নয়। দুজনই অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন। হ্যাডিন নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধান কোচ হয়েছেন, আর হোপস দায়িত্ব নিয়েছেন কুইন্সল্যান্ড ও ব্রিসবেন হিটের। পাঞ্জাবের পক্ষ থেকে তাদের বিকল্প খোঁজার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
হোপস ও হ্যাডিন দুজনই বিগ ব্যাশ লিগে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন বলে জানা গেছে। পাঞ্জাব কিংসের ব্যবস্থাপনা সম্প্রতি তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পারে। এখন নতুন কোচ বাছাইয়ের দায়িত্ব মূলত পন্টিংয়ের হাতেই। নিলামের আগে, অর্থাৎ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই নতুন কোচিং স্টাফ চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির।
হোপসের সঙ্গে পন্টিংয়ের সম্পর্ক বেশ পুরোনো। দিল্লি ক্যাপিটালস ছেড়ে পন্টিং পাঞ্জাব কিংসে যোগ দেওয়ার সময় তার সঙ্গে হোপসও দলটিতে এসেছিলেন। গত দুই মৌসুম পাঞ্জাবের সাপোর্ট স্টাফে ছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার। আর হ্যাডিন ছিলেন আগের কোচিং ব্যবস্থার অংশ। ট্রেভর বেলিসের সময় ২০২২ সালে পাঞ্জাবের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।
এর আগে আইপিএল ২০২৬ শেষ হওয়ার পরই বাহুতুলে পাঞ্জাবের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। ভারতীয় দলের নতুন স্পিন-বোলিং কোচ গৌতম গম্ভীরের অধীনে সেই দায়িত্ব নেন তিনি। ফলে পন্টিংয়ের অধীনে থাকা কোচিং স্টাফে এখন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিশ্চিত হয়েছে।
নতুন কোচ নিয়োগে পন্টিংয়ের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। পাঞ্জাব কিংসের ব্যবস্থাপনা কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করতে পারে, তবে প্রার্থী বাছাই ও সাক্ষাৎকারের পর শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান কোচই। দলের এক সূত্র জানিয়েছে, ‘প্রধান কোচই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।’
পন্টিংয়ের অধীনে গত দুই মৌসুমে পাঞ্জাবের পারফরম্যান্স ছিল ওঠানামায় ভরা। ২০২৫ সালে ফাইনালে উঠেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে তারা। ২০২৬ সালে দুর্দান্ত শুরু করেও শেষ পর্যন্ত প্লে-অফে উঠতে পারেনি। নতুন মৌসুমে সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে ফিরতে হলে পন্টিংকে এখন শুধু দল নয়, নতুন করে তাঁর কোচিং স্টাফও গুছিয়ে নিতে হবে।