২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসর থেকেই চেন্নাইয়ের সঙ্গে যুক্ত ধোনি। দলের সবচেয়ে সফল অধিনায়কও তিনি। চেন্নাইয়ের হয়ে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ডও তার। ক্রিকেটজীবনের শেষ প্রান্তে থাকা ধোনি অবসরের পরও চেন্নাইয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান বলে জানা গেছে।
চেন্নাই কর্তৃপক্ষের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দাবি, দলের ২৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব কিনতে চেয়েছিলেন ধোনি। তবে তার দেয়া শর্তে রাজি হয়নি চেন্নাই। ওই ব্যক্তি বলেন, 'ধোনি চেন্নাইয়ের অংশীদারিত্ব চেয়েছিলেন। বিনামূল্যে অংশীদারিত্ব চাননি। কিনেই নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চেন্নাই কর্তৃপক্ষের অন্য কোনো পরিকল্পনা রয়েছে।'
দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও সমঝোতা হয়নি। চেন্নাই প্রথমে ধোনিকে তিন শতাংশ অংশীদারিত্ব দেয়ার প্রস্তাব দেয়। পরে দর-কষাকষিতে ধোনি ২০ শতাংশে নামতে রাজি হন, বিপরীতে চেন্নাই চার শতাংশ দিতে চায়। তাতেও সমঝোতা না হওয়ায় ধোনি শেষ পর্যন্ত ১৮ শতাংশে নামেন। তবে চেন্নাইয়ের সর্বোচ্চ প্রস্তাব ৫.৫ শতাংশ।
অংশীদারিত্ব নিয়ে এই আলোচনা অবশ্য পুরোপুরিই মৌখিক হয়েছে বলে দাবি করেছেন চেন্নাইয়ের সেই কর্তা। ধোনি কিংবা চেন্নাই, কোনো পক্ষই লিখিত প্রস্তাব দেয়নি। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বর্তমানে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলোয়াড় হিসেবেই যুক্ত আছেন ধোনি। ২০২৫ সালের আইপিএলের মেগা নিলামের আগে চার কোটি টাকায় তাকে ধরে রাখে চেন্নাই। তবে চোট এবং কম্বিনেশনের কারণে এরপর খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি তিনি। গত আইপিএলে একটি ম্যাচেও মাঠে নামেননি ধোনি।
তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা