চেন্নাই সুপার কিংসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাসি বিশ্বনাথন জানিয়েছেন, পান্ডিয়াকে দলে নেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তই হয়নি।
সংবাদ মাধ্যমকে বিশ্বনাথান বলেন, 'আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। বিষয়টি এখন আলোচনার টেবিলেও নেই। কোন কোন খেলোয়াড় ট্রেডের জন্য উন্মুক্ত হতে পারেন, সে সম্পর্কে আমরা অবগত। তবে চলমান মেজর লিগ ক্রিকেট (এমএলসি) শেষ হওয়ার পর মৌসুম-পরবর্তী পর্যালোচনা শেষ হলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। এখনো অনেক সময় আছে।'
এদিকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সও একই অবস্থান নিয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির এক মুখপাত্র জানান, মৌসুম-পরবর্তী মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ের ট্রেড নিয়ে তারা আলোচনা করছে না।
মুম্বাইয়ের সেই কর্তা জানান, 'বর্তমানে আমরা কোনো খেলোয়াড়ের ট্রেড নিয়ে আলোচনা করছি না। মৌসুম-পরবর্তী পর্যালোচনা শেষ হওয়ার পরই এ ধরনের বিষয় বিবেচনা করা সম্ভব।'
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষ হওয়ার পর থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাদের মৌসুম-পরবর্তী মূল্যায়ন শুরু করেছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার দলটির সামগ্রিক পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়ন শেষ হওয়ার আগে পান্ডিয়াকে নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
মুম্বাইয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, 'আমরা মাত্রই মৌসুম-পরবর্তী পর্যালোচনা শুরু করেছি। দলের সব দিকই খতিয়ে দেখা হবে। এ ধরনের মূল্যায়নে নানা বিকল্প ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নেওয়া হয়। সবকিছু বিশ্লেষণের পরই খেলোয়াড়দের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
তবে এর অর্থ এই নয় যে পান্ডিয়াকে ট্রেড করা হবে না। বরং ফ্র্যাঞ্চাইজি তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। জানা গেছে, পান্ডিয়া ও মুম্বাই কর্তৃপক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে। যদিও সেই আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি কোনো পক্ষই।
এছাড়া কোচিং স্টাফের মতামতও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে মুম্বাই। মৌসুম শেষ হওয়ার পর প্রতিটি কোচকে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সেই প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং কোচদের পারফরম্যান্সও মূল্যায়নের আওতায় রয়েছে।
ফলে পান্ডিয়াকে আদৌ ট্রেড তালিকায় রাখা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিষ্পত্তি করতে হবে।
যদি শেষ পর্যন্ত ট্রেডের সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে কলকাতা নাইট রাইডার্স, রাজস্থান রয়্যালস, দিল্লি ক্যাপিটালস ও চেন্নাই সুপার কিংস-এই চার ফ্র্যাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখাতে পারে। তবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাদের বিনিময়ে কী ধরনের প্রস্তাব পায় এবং সেটি কতটা সন্তোষজনক হয়, সেটিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।