আইপিএলের শুরু থেকেই নির্দিষ্ট সময় ধরে বসেছে এই প্রতিযোগিতা। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০ এবং ২০২১ সালে ব্যতিক্রম দেখা গিয়েছিল। সে সময় সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আয়োজন করা হয়েছিল প্রতিযোগিতা। এবার সেই সময়কেই স্থায়ীভাবে বিবেচনায় আনার আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের তীব্র গরম এবং দীর্ঘ মৌসুমে ক্রিকেটারদের ক্লান্তি এই ভাবনার অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।
সময়ের পরিবর্তন নিয়ে এখনও কোনও চাপ নেই বলে জানিয়েছেন অরুণ ধুমাল। তবে বিষয়টি নিয়ে সম্প্রচারকারী সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তিনি। ধুমাল বলেন, 'প্রতিযোগিতা কিছুটা পিছিয়ে দেয়া যায় কি না, তা নিয়ে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের সঙ্গে বৈঠক করে ওদের মতামত জানতে হবে।'
বোর্ডের একাংশ মনে করছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে প্রতিযোগিতা হলে দর্শকদের সাড়া আরও বাড়তে পারে। কারণ ওই সময় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে উৎসবের আবহ থাকে। দুর্গাপূজা, দশেরা ও দীপাবলির মতো উৎসবের সময়ে মাঠে দর্শক উপস্থিতিও বেশি হতে পারে বলে ধারণা তাদের।
বিজ্ঞাপন বাজারের দিক থেকেও এই সময়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। উৎসবের মৌসুমে সংস্থাগুলো প্রচারে বেশি আগ্রহ দেখায়। সেই কারণেও সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলোর ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশা করছে বোর্ড। ধুমাল বলেন, 'বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে সময়টা খুবই ভালো। কারণ দীপাবলির ঠিক আগে আইপিএল হবে।'
তবে শুধু দর্শক বা বাণিজ্যিক দিক বিবেচনা করলেই হবে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচির সঙ্গেও সামঞ্জস্য রাখতে হবে বিসিসিআইকে। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, অন্যান্য প্রতিযোগিতা এবং ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা মাথায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ধুমাল।
তিনি আরও বলেন, 'এর পরের দ্বিপাক্ষিক সূচি দেখতে হবে আমাদের। সেই সময় আইপিএল করা যায় কি না তা বুঝতে হবে। সব দিক বিবেচনা করেই আগামী দিনে প্রতিযোগিতার নতুন সময় নির্ধারণ করা হতে পারে।'