‘গুজরাটের বোলিং হায়দরাবাদের ব্যাটিংয়ের মতো’

আইপএল
বিসিসিআই
বিসিসিআই
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ব্যাটিং বান্ধব উইকেট পেলেই প্রতিপক্ষের বোলারদের উপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান ট্রাভিস হেড, অভিষেক শর্মারা। তবে উইকেটে সুইং কিংবা বোলারদের জন্য সহায়তা থাকলে রান তুলতে বেগ পেতে হয় তাদের। গুজরাট টাইটান্সের বোলারদের পারফরম্যান্সও নির্ভর করে উইকেটের উপর। পিচে সুবিধা থাকলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জে ফেলেন মোহাম্মদ সিরাজ-কাগিসো রাবাদারা। তবে উইকেট ব্যাটিং নির্ভর হলে উল্টো চ্যালেঞ্জে পড়ে তারা। টম মুডি মনে করেন, গুজরাটের বোলিং অনেকটা হায়দরাবাদের ব্যাটিংয়ের মতো।

আইপিএলের চলতি মৌসুমে বল হাতে দারুণ সময় পার করছেন রাবাদা। শুরুটা ভালো না হলেও পরবর্তীতে ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন সাউথ আফ্রিকান এই পেসার। এখনো পর্যন্ত ১৫ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। চলতি মৌসুমে রাবাদার চেয়ে বেশি উইকেট পাননি আর কেউই। বোলিংয়ে সময়টা ভালো যাচ্ছে সিরাজের। ১৫ ম্যাচে ভারতের পেসার নিয়েছেন ১৭ উইকেট।

তাদের দুজনের বেশিরভাগ উইকেটই এসেছে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। চলতি মৌসুমে আহমেদাবাদের উইকেট থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন পেসাররা। রাবাদা, সিরাজ কিংবা জেসন হোল্ডাররা সেটাই কাজে লাগিয়েছেন পুরোপুরিভাবে। তবে ব্যাটিং নির্ভর উইকেট হওয়ায় ধর্মশালায় নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি রাবাদা ও সিরাজ। দুজনে মিলে ৭ ওভারে দিয়েছেন ১০০ রান, দুই উইকেট নিয়েছেন রাবাদা।

গুজরাটের বোলিংকে হায়দরাবাদের ব্যাটিংয়ের সঙ্গে তুলনা করে মুডি বলেন, ‘যখন উইকেটে কোনো মুভমেন্ট থাকে না তখন তারা সুবিধা করতে পারে না। কারণ তাদের গতি ও বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে খুব একটা পরিবর্তন আনার দক্ষতা নেই। ফলে তারা অনুমানযোগ্য হয়ে পড়ছেন। এটা অনেকট সানরাইজার্স (হায়দরাবাদ) এর মতো। সানরাইজার্সকে যখনই এমন উইকেটে খেলতে দেওয়া হয় যেখানে কিছুটা মুভমেন্ট আছে সেখানে তাদের ব্যাটিং লাইন আপ বিপাকে পড়েছে। এটা (গুজরাটের বোলিং) তাদের পুরোপুরি বিপরীতি।’

রাবাদা ২৬, সিরাজ ১৭ ও হোল্ডার ৯ ম্যাচে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। আইপিএলের চলতি আসরে গুজরাটের তিন পেসার মিলে নিয়েছেন ৫৮ উইকেট। তাদের এমন পারফরম্যান্সের পরও এক্স ফ্যাক্টরের ঘাটতি দেখছেন মুডি। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট উদাহরণ টেনেছেন লুঙ্গি এনগিডির।

তিনি বলেন, ‘সিরাজ ও রাবাদা আপনারা যদি বল অল্প একটু সুইং করাতে পারেন তাহলে আপনাদের জন্য অনেক শুভ কামনা। কারণ আপনাদের কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। এই পিচটা খুবই ফ্ল্যাট। আমরা পাওয়ার প্লেতে সেটা দেখেছি। তাদের কাছে কোন উত্তর ছিল না, পেসে বড়সড় পরিবর্তন ছিল ব্যাটারদের বোকা বানানোর মতো কিছু ছিল না।’

‘তাদের কাছে এনগিডির মতো স্লোয়ার বোলার বা এমন কিছু নেই যা ব্যাটারদের বল মারতে বাধ্য করে। তাদের কাছে যা আছে সেগুলো তুুরুপের তাস নয়। তাদের তুরুপের তাস হলো যখন বল একটু সুইং করে এবং হার্ড লেংথে ফেলে দুই দিকে সুইং করে ব্যাটারদের বিপদে ফেলতে পারেন।’

আরো পড়ুন: