ভারতের হয়ে এখনো পর্যন্ত তিনটি টেস্ট এবং একটি ওয়ানডে খেলেছেন পাতিদার। তবে টি-টোয়েন্টিতে এখনো অভিষেক হয়নি ডানহাতি ব্যাটারের। আইপিএলের গত আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে প্রথমবার শিরোপা জেতানোর পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে ১৪৩.৭৭ স্ট্রাইক রেটে ৩১২ রান করেছিলেন পাতিদার। চলতি আসরেও আছেন দারুণ ছন্দে। বিশেষ করে ছক্কা মারার দক্ষতায় সবাইকে মুগ্ধ করেছেন তিনি।
এখনো পর্যন্ত ১৪ ম্যাচে ৪৪.১৮ গড় ও ১৯৬.৭৬ স্ট্রাইক রেটে ৪৮৬ রান করেছেন পাতিদার। যেখানে পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। পাতিদারের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে গুজরাটের বিপক্ষে ম্যাচের পর। এক ওভারে দুই উইকেট হারানোর পর বেঙ্গালুরুর হাল ধরেন তিনি। ৯ ছক্কায় ৩৩ বলে খেলেছেন অপরাজিত ৯৩ রানের ইনিংস। এমন ব্যাটিংয়ের পরই পাতিদারকে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে খেলানোর পরামর্শ দিয়েছেন চোপড়া।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে চোপড়া বলেন, ‘কেউ যদি ৩৩ বলে অপরাজিত ৯৯ রান করে এবং প্লে-অফে যদি তার গড় ১১২ হয় তাহলে সে বিশেষ ম্যানশন প্রাপ্য। আমি বলছি তাকে ভারতের দলে খেলানো হোক। এটা বিশাল বড় একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাদের অনেক বড় বড় অধিনায়ক ছিল, খুবই তারকাবহুল দল ছিল এবং তাদের দারুণ সমর্থক আছে। কিন্তু তারা ট্রফি জেতেনি।’
পাতিদারের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে চোপড়া বলেন, ‘সে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। সে দুইটা জীবন পেয়েছে এবং যখন সে মারা শুরু করেছে তাদের একদম গুঁড়িয়ে দিয়েছে। একটা পর্যায়ে গিয়ে ৩০ বলে তারা ১০০ রান করেছে। এই ধরনের মানসিকতা ভাগ্য ও মৌসুম বদলে দেয়। কোয়ালিফায়ারের দিক থেকে অন্যতম সেরা ইনিংস।’
১৮ বছরের অপেক্ষার পর আইপিএলের গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে। টানা দুই আসরেই ট্রফি ছুঁয়ে দেখার সুযোগ আছে তাদের। প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাটকে উড়িয়ে আবারও ফাইনালে উঠেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ৩১ মে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ এখনো নিশ্চিত হয়নি।