আইপিএলের আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্লো ওভার রেট সংক্রান্ত অপরাধের জন্য এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমবার অপরাধ করলে ১২ লাখ ভারতীয় রুপি জরিমানা করা হয়। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ লাখ ভারতীয় রুপিতে।
চলতি মৌসুমে আইপিএলে স্লো ওভার রেট যেন একটি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বেশিরভাগ দলের অধিনায়কই একই কারণে শাস্তির মুখে পড়েছেন। এর আগে চলতি সপ্তাহে ধর্মশালায় পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে ধীর ওভার রেট বজায় রাখার কারণে দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকেও পান্তের সমপরিমাণ জরিমানা করা হয়েছিল।
এ মৌসুমে এর আগে একই অপরাধে শাস্তি পেয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে , চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়,গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক শুভমান গিল এবং পাঞ্জাবের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার।
এদিন চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে দলের তিনটি উইকেট পড়লেও ব্যাট করতে নামেননি অধিনায়ক পান্ত। ম্যাচ শেষে তিনি জানান, ২০২৬ আইপিএলে যেসব ব্যাটার এখনো খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি, তাদের ম্যাচে সময় দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১২তম ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৩৫ রান তুলে ফেলেছিল লক্ষ্মৌ। তবে এরপর মাত্র ৯ রানের ব্যবধানে তিনটি উইকেট হারায় দলটি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন নিকোলাস পুরান। এরপর আবদুল সামাদ এবং মুকুল চৌধুরীকেও পাঠানো হয় ব্যাটিংয়ে। শেষ পর্যন্ত সাত উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে লক্ষ্মৌ।
ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পান্ত বলেন,'আমি ব্যাট করতে প্রস্তুত ছিলাম এবং এই ভাবনাটা তখনই আসে। আমি ড্রেসিংরুমে ছিলাম। তখন মনে হলো, যারা খুব বেশি ম্যাচ খেলেনি এবং খুব বেশি সুযোগ পায়নি, তাদের কেন সুযোগ দেওয়া হবে না, এটাই ছিল মূল ভাবনা। আমি বারবার ভাবছিলাম, এটা করা উচিত হবে কি না, কারণ আমি নিজেও মাঠে থাকতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কখনো কখনো টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তাভাবনাকেও সম্মান জানাতে হয়।'