সবশেষ কয়েক বছরে দল হিসেবে ভালো করতে পারছে না শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের ঘরের মাঠে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে পারেননি দাসুন শানাকারা। এমন পারফরম্যান্সের পর ক্রিকেটারদের বিদেশি লিগ খেলার ক্ষেত্রে কঠিন শর্তারোপ করে এসএলসি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি কোনো লিগে খেলতে হলে সবার আগে নিজ দেশে ফিটনেস পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
থুশারা সেই পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই বোর্ড তাকে আইপিএল খেলার ছাড়পত্র দেয়নি। এমন অবস্থায় আইপিএল খেলতে আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এসএলসির তৎকালীন সভাপতি শাম্মি সিলভা, সচিব বান্দুলা দিসানায়েকে, কোষাধ্যক্ষ সুজিওয়া গোডালিয়াড্ডা এবং সিইও অ্যাশলে ডি সিলভাকে বিবাদী করেছিলেন।
যদিও পরবর্তীতে ক্ষমা চেয়ে আইনি লড়াই বন্ধ করে বোর্ডকে সমঝোতার প্রস্তাব দেন থুশারা। এদিকে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে লঙ্কান পেসারের বদলি হিসেবে গ্লিসনকে দলে টেনেছে বেঙ্গালুরু। ৩৮ বছর বয়সী ইংলিশ পেসার জাতীয় দলের হয়ে ৯ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। গ্লিসনের আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
চেন্নাই সুপার কিংসের পাশাপাশি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়েও খেলেছেন গ্লিসন। ২০২৪ সালে চেন্নাইয়ের হয়ে দুইটি এবং পরের বছর মুম্বাইয়ের জার্সিতে খেলেছেন একটি ম্যাচ। ডানহাতি পেসারকে দলে নিতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরুর খরচ ১ কোটি ৬০ লাখ রুপি। এদিকে চেন্নাইয়ে চোটের মিছিল যেন থামছেই না।
কিছুদিন আগে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন আয়ুশ মাত্রে। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না খলিল আহমেদও। মৌসুমের শুরুতে ৫ ম্যাচ খেলে ৮.৬৭ ইকনোমি রেটে ২ উইকেট নিয়েছিলেন। বাঁহাতি পেসারের জায়গায় কুলদীপ যাদবকে দলে নিয়েছে তারা। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছিলেন কুলদীপ। ৩০ লাখ রুপিতে তাকে দলে নিয়েছে চেন্নাই।