২০২২ সালে দেশের ঘরোয়া বিশ ওভার প্রতিযোগিতা সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়ার পর ২০২৩ সাল থেকে আইপিএলে নিয়মটি কার্যকর হয়। যদিও ২০২৪ সাল থেকে ঘরোয়া আসর থেকে এটি তুলে নেয়া হয়েছে, তবুও বিতর্ক উপেক্ষা করে আইপিএলে নিয়মটি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।
এবারের আসর শুরুর আগে অধিনায়কদের বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে ফ্লাওয়ার বলেন, 'আমার মনে হয়, এটি একটি ভালো উদ্ভাবন, এর অংশ হতে পারাটা দারুণ। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া এবং এটি নিয়ে বিতর্ক হওয়াটাও দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয় বিষয়।'
ম্যাচ চলাকালীন একাদশের একজন খেলোয়াড় বদল করার সুযোগ দেয় এই নিয়ম। ফলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত বোলার কিংবা ব্যাটার নামাতে পারে দলগুলো। তবে এর ফলে প্রকৃত অলরাউন্ডারের গুরুত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক ক্রিকেটার।
এই তালিকায় রয়েছেন আইপিএলের সফল অধিনায়কদের একজন রোহিত শর্মা। তিনি একাধিকবার বলেছেন, এই নিয়ম অলরাউন্ডার তৈরির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একই সুর শোনা গেছে স্পিনিং অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলের কণ্ঠেও।
সম্প্রতি ভারতের অধিনায়ক শুভমান গিলও এই নিয়মের বিরোধিতা করে বলেন, 'এই নিয়ম থাকাই উচিত নয়। এর কারণে খেলাটি একঘেয়ে হয়ে পড়ছে।'
তবে সমালোচনার মাঝেও ফ্লাওয়ার নিয়মটির ইতিবাচক দিক তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, 'একাদশ নির্বাচন ক্রিকেটের বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যাটিং-বোলিংয়ের ভারসাম্য রাখা সহজ নয়। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মটি সেই জটিলতা কিছুটা কমিয়ে দেয়, যদিও এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।'