সবশেষ আয়ারল্যান্ড সিরিজে একটি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন লিটন। বাকি দুই ম্যাচে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি বাংলাদেশের অধিনায়ক। প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও। ৬ ম্যাচে এক হাফ সেঞ্চুরি করা লিটন নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারছেন না চলতি বিপিএলেও। রংপুর রাইডার্সের হয়ে এখনো পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
২০.২৫ গড় ও ১৩৫ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১৬২ রান। ৮ ম্যাচ খেলেই কোন হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি রংপুরের ব্যাটার। লিটন ছন্দে না থাকায় ভুগছে রংপুরও। সবশেষ তিন ম্যাচে হেরে বিপাকে পড়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নিলাম থেকে ৭০ লাখ টাকায় কিনে নেয়া লিটন ঢাকায় ফিরে বড় রানের ইনিংস খেলবেন বলে বিশ্বাস করেন আর্থার। রংপুরের প্রধান কোচ জানান, বড় রান করার আভাস দিলেও সেটা করতে না পারায় তিনি হতাশ।
আর্থার বলেন, ‘সে (লিটন) খুব ভালো বল হিট করছে। সে বেশ কিছুদিন ধরেই ভালো হিট করছে কিন্তু বড় স্কোর করতে পারছে না। আশা করছি ঢাকায় সে আমাদের জন্য বড় স্কোরটা করবে। বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিচ্ছে কিন্তু সেটা হচ্ছে না। এটা খুবই হতাশার। আজকের পারফরম্যান্স দেখার পর একজন কোচ হিসেবে হতাশ হয়ে আমি এখানে বসে আছি। খুবই বাজে ছিল (পারফরম্যান্স), এতে সিদ্ধান্তহীনতার অভাব ছিল, ক্রিকেটেীয় স্মার্টনেসেরও অভাব— যা খুবই হতাশার।’
রংপুরের পাশাপাশি লিটনের অফ ফর্ম উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশেরও। কারণ বিপিএল শেষেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবেন লিটনরা। ফেব্রুয়ারি-মার্চে হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের আগে আর কোন সিরিজ নেই টাইগারদের। এমন অবস্থায় বিশ্বকাপে ভালো করতে প্রতিদিনই লিটনকে সেরা ক্রিকেট খেলার পরামর্শ দিয়েছেন আর্থার। সেই সঙ্গে লিটনের প্রশংসা করেছেন রংপুরের প্রধান কোচ।
আর্থার বলেন, ‘আমার মনে হয় লিটনকে প্রতিদিনই তাঁর সেরা খেলাটা খেলার চেষ্টা করতে হবে। কখনো কখনো আমার মনে হয় সে কিছুটা দ্বিধায় ভুগছে। আবার কখনো মনে হয় একটু বেশিই ইতিবাচক থাকছে। আমার মনে হয় কন্ডিশনটা আপনাকে খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে। তবে লিটন সম্পর্কে আমি যতটা জানি সে দুর্দান্ত একজন খেলোয়াড় এবং কিছুটা ঝলক আমরা দেখেছি। যখন সে ভালো অবস্থানে থাকে এবং নিজেকে ইনিংস গুছিয়ে নেয়ার জন্য সময় দেয় তখন সে আমার দেখা অন্য খেলোয়াড়দের মতোই ভালো। আশা করি ঢাকায় গিয়ে সে সেটাই (বড় ইনিংস খেলবে) করবে।’