পয়েন্ট টেবিলে নিচের দিকে থাকা নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও ঢাকা ক্যাপিটালসের ১০ পয়েন্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ কারণে আগে ভাগেই প্লে অফে জায়গা করে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটান্স। প্লে অফে যাওয়ার বড় সুযোগ আছে রংপুর রাইডার্সের। তাদের নামের পাশে ৮ পয়েন্ট। তাদের অবস্থান ৪ নম্বরে।
এদিকে ঢাকার দেয়া মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২২ রান করেই ফেরেন রাজশাহীর ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ৫ রান করে আউট হয়েছেন। তানজিদ একপ্রান্ত আগলে রেখে রাজশাহীর রান বাড়িয়েছেন। তিনি ৪৩ বলে খেলেন ৭৬ রানের ইনিংস। বাকি কাজটা সেরেছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও জিমি নিশাম। দুজনে ১৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জিতিয়েছেন।
মুশফিক ১৯ বলে ১২ ও নিশাম ১০ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থেকে ২৩ বল হাতে রেখেই রাজশাহীর জয় নিশ্চিত করেছেন। ঢাকার হয়ে এদিন একটি করে উইকেট নেন নাসির হোসেন, ইমাদ ওয়াসিম ও সাইফ হাসান। এদিন দলটির বোলাররা কোনো প্রভাবই ফেলতে পারেননি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা খারাপ ছিল না ঢাকা ক্যাপিটালসের। বিনা উইকেটে ৫৪ রান তুলে ফেলেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এরপর একের পর এক উইকেট হারালেও শেষের দিকে রান তুলে বিপর্যয় সামাল দেয়ার সুযোগ ছিল দলটির। তবে সেটা তারা করতে পারেনি রিপন মন্ডলের হ্যাটট্রিকের কারণে।
ঢাকা শেষ ওভারটা শুরু করেছিল ৭ উইকেটে ১২৮ রান নিয়ে। সেই ওভার থেকে ৩ রানের বেশি নিতে পারেনি উল্টো রিপনের হ্যাটট্রিকে সেখানেই শেষ করতে হয়েছে দলটিকে। একে একে রিপন ফিরিয়েছেন সাব্বির রহমান, জিয়া উর রহমান ও তাইজুল ইসলামকে।
প্রথম দুজন ক্যাচ দিয়ে ফেরার পর তাইজুলকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেছেন রিপন। যদিও দলটির সফল বোলার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তিনি জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে শুরু থেকেই ঢাকাকে চেপে ধরেছিলেন। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সাইফ হাসানের উইকেট হারায়।
যদিও একপ্রান্ত আগলে রেখে ঢাকার রান বাড়িয়েছেন উসমান খান। তিনি ২৭ বলে ঝড়ো ৪১ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। নাসির হোসেন ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তার ইনিংস শেষ হয়েছে ২৭ বলে ২৪ রান করে। শেষদিকে সাব্বির রহমান ও শামীম হোসেন পাটোয়ারিও জ্বলে উঠতে পারেননি।
শেষদিকে এসে হ্যাটট্রিক তুলে নিয়ে ঢাকার ইনিংস গুঁড়িয়ে দিয়েছেন রিপন। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নিয়েছেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তিনটি উইকেট নেন রিপন। দুটি উইকেট পেয়েছেন রুবেল মিয়া। আর বাকি একটি উইকেট গেছে বিনুরা ফার্নান্দোর ঝুলিতে।