মুস্তাফিজ বিশ্বকাপ দলে থাকলে বাংলাদেশের ঝুঁকি বাড়বে, বিসিবিকে আইসিসি

বাংলাদেশ
বিসিবি
বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
মুস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে থাকলে ঝুঁকি বাড়বে বলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দিয়েছে আইসিসির নিরাপত্তা দল। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

এ ছাড়াও তিনি জানিয়েছেন বাংলাদেশ দাবি জানিয়েছে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার। তারা কলকাতা থেকে সরাতে বলেননি। তাই ভারত বা আইসিসির এই রকম পরিকল্পনা থাকলে তারা সেটা গ্রহণ করবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, 'আইসিসিকে চিঠি দিয়েছি, এখন আইসিসির যে উত্তর সেটার প্রত্যাশা করছি আমরা। এর মধ্যে একটা জিনিস ঘটেছে আপনাদেরকে আমার জানানো প্রয়োজন। সেটা হচ্ছে আইসিসির যে নিরাপত্তা দল আছে, নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা আছে তারা একটা চিঠি দিয়েছে।'

আইসিসির পক্ষ থেকে তিনটি কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে বাংলাদেশকে। এর মধ্যে একটি মুস্তাফিজ। বাকি দুটি হলো বাংলাদেশের কোনো দর্শক যদি নিজেদের জার্সি পড়ে ঘোরাফেরা করেন তাহলেও শঙ্কা থাকবে। আর বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরেও কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশকে সতর্ক করে দিয়েছে আইসিসি।

আসিফ নজরুল বলেন, 'সেই চিঠিতে বলা হয়েছে তিনটা জিনিস হলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা আশঙ্কা বাড়বে। একটা জিনিস হচ্ছে মুস্তাফিজ যদি বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভূক্ত হয়, দুই হচ্ছে বাংলদেশ দলের যারা সমর্থক আছে উনারা যদি জাতীয় দলের জার্সি পড়ে যদি ঘোরাফেরা করে। তিন হচ্ছে, নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে তত নাকি বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা আশঙ্কা বৃদ্ধি পাবে।'

আসিফ নজরুল মনে করেন আইসিসির নিরাপত্তা দলের এমন চিঠির পর নিশ্চিত হয়েছে ভারতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার মতো কোনো পরিবেশ নেই। আর বাংলাদেশও নিজেদের সেরা বোলারকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে খেলবে না। একই সঙ্গে দর্শকদের জার্সি না পড়তে বলাও আইসিসির অযৌক্তিক ও অবাস্তব ভাবনা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, 'নিরাপত্তা দলের এমন বক্তব্য সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছে ভারতে বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার মতো কোন ধরনের পরিস্থিতি নাই। আইসিসি যদি আশা করে শ্রেষ্ঠ (সেরা) বোলারকে বাদ দিয়ে আমরা ক্রিকেট দল করব, আমাদের যারা সমর্থক আছে তারা বাংলাদেশের জার্সি পড়তে পারবে না, আমরা নির্বাচন পিছিয়ে দিব। এর চেয়ে উদ্ভট, অবাস্তব, অযৌক্তিক প্রত্যাশা হতে পারে না।'

আরো পড়ুন: