এই পরিস্থিতিতে বিসিবি আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নির্ধারিত ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের কথা আইসিসিকে জানিয়েছে। এদিকে মুস্তাফিজকে ছাড়ার সিদ্ধান্তটি বিসিসিআইয়ের ভেতরেও সর্বসম্মত ছিল না বলে দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এক বিসিসিআই কর্মকর্তা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, 'আমরা বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি, আমাদের কাছ থেকে কোনো মতামতও নেয়া হয়নি।'
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে সভায় মুস্তাফিজকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, সেখানে বিসিসিআই ও আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। অথচ গত মাসের নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা এই বাঁহাতি পেসারকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত বোর্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
শনিবার বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত সাইকিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে তাদের স্কোয়াড থেকে বাংলাদেশের খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।'
এই সিদ্ধান্তের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশে আইপিএলের সব ধরনের সম্প্রচার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিস্থিতি বিবেচনায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের সব ম্যাচ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হচ্ছে।