পরের তিন ওভারে দিয়েছেন ২৬ রান। সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে পুরো চার ওভার বোলিং করে ২৯ রান খরচা করলেও ছিলেন উইকেট। তবুও ইকনোমি রেটের দিক থেকে রিশাদই হোবার্ট হারিকেন্সের সেরা বোলার। জীবন পেয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন ওয়ার্নার। ১১ চার ও ৯ ছক্কায় ৬৫ বলে খেলেছেন ১৩০ রানের ইনিংস। ওয়ার্নারের ওমন ব্যাটিংয়েই মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রানের পুঁজি পায় থান্ডার।
দুইশ ছাড়িয়ে যাওয়া লক্ষ্য তাড়ায় একেবারে শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক ব্যাটিং করতে থাকেন ইয়ার্ড ও মিচেল ওয়েন। তাদের দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫৪ রান তোলে হোবার্ট। আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে থান্ডারের মনে ভয় ধরাতে থাকেন তারা দুজনই। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ইয়ার্ড। হোবার্ট একশ ছুঁয়েছে ৭.৫ ওভারে। দলের রান একশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।
ইনিংসের নবম ওভারে ড্যানিয়েল স্যামসের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে টেনে পুল করতে চেয়েছিলেন ওয়েন। তবে টপ এজ হওয়ায় স্যাম বিলিংসকে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। হাফ সেঞ্চুরি না পেলেও দুই চার ও পাঁচ ছক্কায় মাত্র ১৮ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন ডানহাতি এই ওপেনার। তিনে নামা রেহান আহমেদ অবশ্য একটু দেখেশুনে খেলছিলেন। ইয়ার্ডকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। যদিও ১৪ বলে ১৬ রান করে ওয়েস অ্যাগারের বলে ফিরতে হয় ইংলিশ ব্যাটারকে।
হোবার্টের রান দেড়শ পার হওয়ার পর আউট হয়েছেন ইয়ার্ড। পেসার স্যামসের বলে স্কুপ করতে গিয়ে বটম এজ হয়ে উইকেটকিপার বিলিংসকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। ১০ চার ও তিন ছক্কায় ৪৯ বলে ৯০ রানের ইনিংস খেলেন ইয়ার্ড। বেন ম্যাকডরমট দ্রুত ফিরলেও নিখিল চৌধুরি ১৪ বলে ২৯ ও ম্যাথু ওয়েড ৫ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থেকে হোবার্টের ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছেন। এ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে রিশাদের হোবার্ট।