এদিন দিনের শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে খুলনা বিভাগ। দলীয় ৫০ রানের মধ্যেই ওপেনার এনামুল হক বিজয় (৬) ও ওয়ান ডাউনে নামা কালাম সিদ্দিকীর উইকেট হারায় খুলনা। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনও। একপ্রান্ত আগলে রেখে আজিজুল হাকিম তামিম খেলেন ৪২ রানের ইনিংস। রান আউটে কাটা পড়ে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তার।
আফিফ আউট হয়েছেন ১৮ রান করে। শেষদিকে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ১৯ ও শেখ পারভেজ জীবন ১৮ রান করে করে ভালোই সঙ্গ দিয়েছেন ইমরানুজ্জামানকে। তাতেই কোনো মতে দুইশ পেরুতে পারে খুলনা। একপ্রান্ত আগলে রেখে ১৪৩ বলে ৬৪ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন ইমরানুজ্জামান।
চট্টগ্রামের হয়ে এদিন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি পেসার আহমেদ শরিফ। আর দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ রুবেল ও হাসান মুরাদ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আশরাফুল হাসান ও আব্দুল হাসনাত। জবাবে খেলতে নেমে মৃত্যুঞ্জয়ের পেসের মুখে পড়ে চট্টগ্রাম। এই পেসার একাই দুই ওপেনারকে ফেরান।
১২ রান করে আউট হন সাদিকুর রহমান, ২৫ রান করে মাহমুদুল হাসান জয়। ইয়াসির আলীকে ২ রানে বিদায় করেছেন শেখ মেহেদী। এরপর শাহাদাত হোসেন ও ইরফান শুক্কুর মিলে দিনের বাকি অংশ পাড়ি দিয়েছেন। শাহাদাত ১৫ বলে ২০ ও শুক্কুর ৮ রান করে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেছেন।
এদিন আরেক ম্যাচে অল আউট হয়ে গেছে বরিশাল বিভাগও। তারা প্রথম ইনিংসে করেছে ২২৯ রান। জবাবে ২৪ রান করে দিনের খেলা শেষ করেছে রাজশাহী বিভাগ। তবে হারিয়েছে একটি উইকেট। হাবিবুর রহমান অপরাজিত আছেন ৬ রান করে। আর নাইম আহমেদ ব্যাটিং করছেন ১৩ রান নিয়ে। সাব্বির হোসেন ৫ রান করে আউট হয়েছেন। তার উইকেট নিয়েছেন রুয়েল মিয়া।
এর আগে বরিশালের হয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারেননি কেউই। ত্রিশছোঁয়া ইনিংস খেলেন চারজন। আগ্রাসী শুরুর পর ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ বলে ৪০ রান করে ফিরে যান তরুণ ওপেনার জাওয়াদ আবরার। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে ৪১ রান। তার ইনিংস সাজানো ছিল এক ছক্কা ও ৪টি চারে।
শেষদিকে শহিদুল ইসলামের ৩১ বলে ৩২ ও কামরুল ইসলাম রাব্বির ব্যাট থেকে আসে ৬৩ বলে ৩৬ রান। রাজশাহীর হয়ে ১৫ রানে ৪ উইকেট শিয়াক্র করেন বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম। ৩টি উইকেট পান শফিকুল ইসলাম। দুটি উইকেট গেছে এসএম মেহরবের ঝুলিতে। আর একটি উইকেট নেন মোহর শেখ।