তৃতীয় দিন শেষে খুলনার চেয়ে এখনও ৬৫ রানে পিছিয়ে আছে রাজশাহী। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা রাজশাহীকে সামনে থেকে পথ দেখিয়েছেন দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সাব্বির হোসেন। দুজনে মিলে গড়েন ১২৬ রানের জুটি। সোহান মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি ৮৩ বলে ৯০ রান করে সামিউন বশির রাতুলের শিকার হন।
সাব্বির হোসেনও সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারেননি। তিনি আউট হয়েছেন ৮৮ রান করে। এরপর ওয়ানডে ডাউনে নামা নাইম আহমেদ ১২৮ বলে ৬৯ রান করে ফিরলে কিছুটা চাপে পড়ে রাজশাহী। তবে দিনের শেষভাগে আর কোনো বিপদ হতে দেননি প্রিতম কুমার ও সাব্বির রহমান। প্রিতম ২৭ ও সাব্বির ২১ রান করে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেছেন। রাজশাহীর হয়ে রাতুল নিয়েছেন দুটি উইকেট। একটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী।
আরেক ম্যাচে ২ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল সিলেট। অপরাজিত থাকা অমিত হাসান ৩১ রান করে ফেরেন। অবশ্য আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান সৈকত আলী তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। তার ইনিংস শেষ হয়েছে ৬০ রান। সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপে পুড়েছেন আরেক ব্যাটসম্যান আসাদুল্লাহ হিল গালিব।
তিনি ৮৯ রান করে ফিরেছেন। অবশ্য সেঞ্চুরির অপেক্ষা নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সিলেটের আরেক ব্যাটার আশরাফুল হাসান। তিনি ১৯২ বলে ৮১ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। ৫৬ রান করে অপরাজিত আছেন তোফায়েল আহমেদ। তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪৩১। তারা এখনও ঢাকার চেয়ে ১১৬ রানে পিছিয়ে আছে।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে দুটি উইকেট নিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। একটি করে উইকেট শিকার ক্রএছেন রিপন মন্ডল ও তাইবুর রহমান। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৫৪৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা। জবাবে খেলতে নেমে সমানে সমানে জবাব দিচ্ছে সিলেট বিভাগ।