দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৪৬৩ রান। দ্বিতীয় দিন শেষে তারা রাজশাহীর চেয়ে এগিয়ে আছে ৩৪৪ রান। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান আজিজুল হাকিম ও কালাম সিদ্দিকী দুজনই পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরির দেখা। আজিজুল আউট হয়েছেন ৫৫ রান করে। কালাম মাত্র ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। মোহাম্মদ মিঠুন ফিরেছেন ২১ রান করে। পাশাপাশি আফিফ হোসেন ধ্রুব খেলেন ৫৮ বলে ৩৯ রানের ইনিংস।
ইমরানুজ্জামান ও সামিউন বশির রাতুল তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। তবে দুজনই ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ইমরানুজ্জামান ফিরেছেন ১৬২ বলে ৫২ রান করে। অন্যদিকে ৫৭ রান আসে রাতুলের ব্যাট থেকে। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ১১৮ বলে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেন মেহেদী। তার ইনিংস জুড়ে ছিল দুটি ছক্কা ও ১০টি চার।
আরেক ম্যাচে ঢাকা বিভাগ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৫৪৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে। আগের দিনই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন নাইম শেখ। দ্বিতীয় দিনে ঢাকার ব্যাটারদের মধ্যে আরও সেঞ্চুরি করেছেন দুজন। মার্শাল আইয়ুব ২৪০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলেছেন। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ১৪১ বলে খেলেন ১০৮ রানের ইনিংস।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে একাই ৪ উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ। দুটি উইকেট শিকার করেছেন নাইম আহমেদ। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে খেলতে নেমে ২ উইকেটে ১৫৪ রান করে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে সিলেট। দলটির হয়ে সৈকত আলী ৭০ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত আছেন।
অমিত হাসান ১১ বলে ৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামবেন। এর আগে ওপেনিং জুটিতেই জাকির হাসান ও মুবিন আহমেদ গড়েন ৭৭ রানের জুটি। মুবিন ফেরেন ৫০ বলে ৪৮ রানের দ্রুতগতির ইনিংস খেলে। জাকির ফিরেছেন ১০৯ বলে ৬৫ রান করে। ঢাকার হয়ে একটি করে উইকেট শিকার করেন রিপন মন্ডল ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।