তানজিদের বিধ্বংসী হাফ সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় সেশনেই ঘুরে দাঁড়ায় আফগানিস্তান। দ্রুত তারা তুলে নেয় ৩ উইকেট। এর মধ্যে মুশফিকুর রহিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটও ছিল। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটারকে শূন্য রানে ফেরান ইয়ামিন আহমেদজাই। বাংলাদেশের ৮ উইকেটের ৭টিই নিয়েছেন তিন পেসার মোহাম্মদ সালিম সাফি, ইসমাত আলম ও আহমদজাই।
সাফল্যের পেছনে নির্দিষ্ট লাইন ও লেংথে বল করার পাশাপাশি শর্ট বলকে কৃতিত্ব দিয়েছেন আহমদজাই। দ্বিতীয় সেশনে মুশফিক ও মুমিনুল হককে আউট করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেন আহমদজাই। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিভার্স সুইং আদায় করে নিয়েছেন তিনি। নিয়েছেন লিটন দাসের দারুণ এক ক্যাচও।
নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে আহমদজাই বলেন, 'প্রথম সেশনের পর আমাদের পরিকল্পনা ছিল, তারা একটু আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিল। আমরা চেয়েছিলাম, নিজেদের পরিকল্পনায় অটল থেকে তাদের শট খেলতে দিতে। তারা যেভাবে খেলতে চায়, খেলুক। কিন্তু আমরা আমাদের পরিকল্পনা বদলাব না।'
এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল বলে মনে করেন আফগানিস্তানের পেসার আহমদজাই। তিনি যোগ করেন, ‘এই ধরনের উইকেটে আগে ব্যাটিং করাই ভালো। তবে শেষ পর্যন্ত দিনটা আমাদের জন্য ভালো গেছে।’
লিটনের ক্যাচ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক ক্যাচ নিয়েছি। তবে এটা ভালো ক্যাচ ছিল। দিনের শেষ দিকে ক্যাচটা নিতে হয়েছে, বেশ চেষ্টা করতে হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, আমি ক্যাচটা নিতে পেরেছি।'
মুশফিককে পরিকল্পনা করে আউট করা প্রসঙ্গে যোগ করেন, ‘মুশফিককে আউট করার আগেও আমি বেশ কয়েকটি বল অফ স্টাম্পের বাইরের দিকে, পাঁচ ও ছয় নম্বর স্টাম্প বরাবর করেছি। আমি চেয়েছিলাম, আমার লাইনেই খেলতে বাধ্য হোক সে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সে সেভাবে খেলছিল না। হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলাম, একটু সোজা বল করব। বলটা কিছুটা রিভার্স সুইং করল, আর আমি তার উইকেট পেয়ে গেলাম।’