মাহফিজুলের ব্যাটে সিলেটের ওপর ময়মনসিংহের দাপট
৫ উইকেটে ২৩৬ রান তুলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল সিলেট বিভাগ। এরপর আর ২১ রান তুলে তৃতীয় দিনে প্রথম উইকেট হারায় সিলেট। ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৭ রান করে বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল ইসলামের শিকার হন আসাদুল্লাহ আল গালিব। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ৬৮ রানের জুটি করে সিলেটকে লিড এনে দেন তোফায়েল আহমেদ ও নাইম আহমেদ।
সাত নম্বরে নামা তোফায়েলের ১৬২ বলে ৫৯ রানের ইনিংসে বড় লিডের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট। কিন্তু রাকিবুলের বলে রিজান হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটার।মাত্র দুই রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ৩২৭ রানে অলআউট হয় সিলেট। ১৬ রানের লিড পায় তারা।ময়মনসিংহের হয়ে আজিজুল হাকিম রনি চারটি, রাকিবুল তিনটি, গালিব দুইটি এবং রিজান একটি উইকেট নেন।
২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় ময়মনসিংহ। মাহফিজুল ও খালিদ হাসান মিলে ১৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। প্রথম ইনিংসে ৭০ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৮৬ রানে অপরাজিত থেকে সেঞ্চুরি পথে আছেন মাহফিজুল। দিনের শেষ প্রান্তে আরেক ওপেনার খালিদ ৫৭ রানে ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। এক উইকেটে ১৪৮ রানে তৃতীয় দিন শেষ করেছে ময়মনসিংহ। তাদের লিড এখন ১৩২ রান।
রাজশাহীর বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন দেখছে চট্টগ্রাম
আরেক ম্যাচে বিনা উইকেটে ১৯০ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল চট্টগ্রাম। তৃতীয় দিন সকালে মাত্র ৩ রান যোগ করেই আউট হয়ে যান আগের দিনের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদুল হাসান জয়। তবে আরেক প্রান্তে সেঞ্চুরি তুলে নেন সাদিকুর রহমান। দলীয় ২৪৩ রানের মাথায় ১১৫ রান করা সাদিকুর ফিরে যাবার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম। মাঝে অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ছাড়া প্রতিরোধ গড়তে পারেননি কোনো ব্যাটার।
এক প্রান্তে লড়াই করে ১১৯ বলে ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন শুক্কুর। তবুও অন্যদের ব্যর্থতায় ৩৪ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৯৩ রানেই অলআউট হয় চট্টগ্রাম। প্রথম ইনিংসে তাদের লিড দাঁড়ায় ২৯ রান। রাজশাহীর হয়ে এসএম মেহেরব হাসান চারটি, নিহাদউজ্জামান ও সানজামুল দুইটি করে এবং শফিকুল ও মোহাম্মদ ওয়ালিদ একটি করে উইকেট নেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে রাজশাহী। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট হারায় তারা। বেশিক্ষণ টেকেননি আরেক ওপেনার সাব্বির হোসেনও। ৬ রান করে এনামুল হক আশিকের শিকার হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে ৪৬ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে তারা। শেষ দিনে ৮ উইকেট হাতে নিয়ে তাদের লিড এখন ১৭ রান।