ডিসেম্বর-জানুয়ারি কিংবা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন করে থাকে বিসিবি। তবে ২০২৭ সালে বিপিএল আয়োজন করবে না তামিম ইকবালের বোর্ড। গুঞ্জন আছে, সেই সময় এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করতে চায় তারা। যদিও সেটা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। মিনহাজুল আবেদিন নান্নু অবশ্য পুরো প্রোগ্রামকে দেখছেন বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিবর্তনের ধারা হিসেবে।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপাকালে নান্নু বলেন, 'বাংলাদেশ ফার্স্ট যেটা হচ্ছে এটা অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ এবং আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের অনেক কিছু বদলে যাবে। খেলোয়াড়, ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক যারা থাকবে তাদের সম্পৃক্ততা বাড়বে। পুরো বাংলাদেশব্যাপী খেলা হবে, অনেকগুলো ভেন্যুতে খেলা হবে, অনেক কিছুরই উন্নতি হবে। দেখবেন যে আমাদের অন্যান্য জেলার খেলোয়াড়রা একটু উৎসাহিত হবে। যারা তরুণ খেলোয়াড় আছে তারও অনুপ্রাণিত হবে। আমি আশা করি এই টুর্নামেন্টটা হলে খেলোয়াড়রা যথেষ্ট উপকৃত হবে।'
টুর্নামেন্টটি কবে মাঠে গড়াবে এই ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে পারেননি নান্নু। তবে দ্রুতই এই ব্যাপারে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ বিস্তারিত তথ্য জানাবে বলে নিশ্চিত করেছেন নান্নু। তিনি যোগ করেন, 'ওইটা (কবে খেলা হবে) নিয়ে এখনো পর্যন্ত আমার কাছে কোনো আপডেট নাই। এটা যেহেতু ক্রিকেট অপারেশন্স দেখভাল করছে তারা আপডেট দিতে পারবে।'
বাংলাদেশ ফার্স্ট প্রোগ্রামটি সাজানো হচ্ছে কাউন্টির আদলে। ইংল্যান্ডে যেভাবে এসব দল পরিচালনা করা হয় সেই আঙ্গিকে আয়োজনের ভাবনা রয়েছে বিসিবির। এই টুর্নামেন্টে থাকবে না কোনো বিভাগ ভিত্তিক দল। ৬টি দল থাকবে তবে সেটা যে প্রতিষ্ঠান ক্রয় করবে, তারা তাদের পছন্দমতো নাম দিতে পারবে। তবে চারদিনের এনসিএলে থাকবে বিভাগভিত্তিক দল।
বিস্তারিত ধারণা দিয়ে নান্নু বলেন, 'এটা হলে বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা উন্নতি হবে। কাউন্টি দলগুলো যেভাবে ওউন করে, যেভাবে চালায়, ঠিক সেই আঙ্গিকে একটা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এখান থেকে খেলোয়াড়রা যথেষ্ট উপকৃত হবে, আঞ্চলিক অবকাঠামোগুলো উপকৃত হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি যারা আসবে তাদেরও দায়িত্ব অনেক বেশি থাকবে।'