প্রথম দিনের চা-বিরতির পর এবারই প্রথম ক্যামেরার সামনে দেখা গেছে বাঁহাতি ওপেনারকে। শর্টস পড়ে, বাঁ পায়ে টেপ পেঁচিয়ে ব্যাটিং করছিলেন তিনি। সফট বলে ব্যাটিংটা সেরে নিচ্ছিলেন ইমাম। চতুর্থ ইনিংসে প্রয়োজনে চোট নিয়েই ব্যাটিংয়ে নেমে যাবেন তিনি, এমন ইঙ্গিতই দিচ্ছিলেন। তবে পাকিস্তান ওপেনারের এমন কাণ্ডে মোটেও খুশি নন ব্রড। ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার মনে করেন, এসব লোক দেখানোর জন্য।
এ প্রসঙ্গে ব্রড বলেন, ‘সবই লোক দেখানো। মিডিয়া থেকে হয়ত কিছুটা কটুক্তি শুনেছে, সতীর্থরাও হয়ত কথা শুনিয়েছে। যাই হোক, এমন কিছু করতে চাইলে ইনডোর স্কুলে করা যেতো, যেখানে কেউই দেখতে পারবে না। এভাবে শর্টস পড়ে ও টেপ পেঁচিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সবাইকে দেখানোর প্রয়োজন ছিল না। দুঃখিত, আমি মোটেও খুশি নই।’
প্রথম দিনের চা-বিরতির পর থেকেই মাঠে অনুপস্থিত ছিলেন ইমাম। বাঁহাতি ব্যাটারের বদলি হিসেবে ফিল্ডিং করছেন সালমান আলী আঘা। স্লিপে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচও নিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ের সুযোগ মেলে পাকিস্তানের। তবে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে পারেননি ইমাম। কনকাশন সাব না হওয়ায় বাঁহাতি ব্যাটারের বদলি হিসেবে নামতে পারেননি সালমান।
ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১০ রানে থামে পাকিস্তান। ক্রিকইনফো জানায়, চোটের পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় প্রথম দিনের খেলা শেষেই স্ক্যানের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, বাম পায়ে গ্রেড-১ চিড় ধরা পড়েছে। চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য ইমামকে ১০ দিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রথম ইনিংসে ১১০ রানে অল আউট হওয়া পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে থেমেছে ১৯৪ রানে। দুই ইনিংসেই ব্যাটিং করতে পারেননি ইমাম। লিডসের পর লর্ডসেও হারতে হয়েছে সফরকারীদের। লর্ডসে ১৯৪ রানে হেরে ইতোমধ্যে সিরিজ খুইয়েছে পাকিস্তান। এজবাস্টনে তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর।