সাম্প্রতিক ব্যর্থতা, ফর্ম, ফিটনেস ও শৃঙ্খলাজনিত বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এই বড় রদবদল করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তান এখন ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে। সর্বশেষ ছয় টেস্টের পাঁচটিতেই হেরেছে তারা। এই সময়ে একমাত্র জয়টি এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
লর্ডস টেস্টের পরই রিজওয়ান ও ইমামকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানা গিয়েছিল। এবার তাদের সঙ্গে আগা সালমানকেও টেস্ট দল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। চলমান টেস্ট সিরিজে তিনজনই প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। লর্ডস টেস্টে রিজওয়ানের আউট নিয়েও হয়েছে সমালোচনা। লিডসের পর লর্ডসেও দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে উইকেট হারান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
ইমাম অবশ্য চোটের কারণে লর্ডস টেস্টের দুই ইনিংসেই ব্যাটিং করতে পারেননি। মাংসপেশির চোটে ভুগছেন তিনি। ফলে তাকেও দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামে। সেই ম্যাচের জন্য দলে ডাক পেয়েছেন সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজল।
তাদের সঙ্গে আরও চার ক্রিকেটারকে ইংল্যান্ডে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভিসা সময়মতো পাওয়া গেলে পেসার রাজাউল্লাহ খান ও মোহাম্মদ ইমরান, বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত মিনহাস এবং উইকেটকিপার রোহেল নাজিরও দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। এই রদবদলের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে পাকিস্তানের কোচিং স্টাফেও।
সাদা বলের দলের দায়িত্বে থাকা মাইক হেসনকে টেস্ট দলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের এই কোচ ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডে আছেন বলে জানা গেছে এবং শিগগিরই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের বাকি ম্যাচগুলোতেও লাল বলের দলের দায়িত্বে থাকবেন হেসন।