অ্যাশেজ জয়ের সময় ট্রাভিস হেডের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটির অংশ ছিলেন ওয়েদারাল্ড। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইনে প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে মাত্র ২৩ ও শূন্য রান করেন তিনি। এর ফলে ১২ ইনিংস পর তার টেস্ট ব্যাটিং গড় নেমে এসেছে ২০.৩৬-এ। প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় মাত্র একটি টেস্ট খেলেই দল থেকে বাদ পড়তে হলো তাকে।
ওয়েদারাল্ডের পরিবর্তে দলে আসা রেনশ ২০২৩ সালের পর প্রথমবার টেস্ট খেলতে যাচ্ছেন। ব্রিসবেনে দলের সঙ্গে অনুশীলন করার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন তিনি। গত মৌসুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তিনটি সেঞ্চুরিসহ ৪৯.৯০ গড়ে রান করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। টেস্টে তার সামগ্রিক ব্যাটিং গড় ২৯.৩১ এবং সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১৮৪ রান।
ম্যাকাইয়ে ট্র্যাভিস হেডের সঙ্গে উদ্বোধনে রেনশকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে। উত্তর কুইন্সল্যান্ডের এই মাঠে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার দুটি শতক রয়েছে। তবে বিকল্প হিসেবে জশ ইংলিসের নামও বিবেচনায় আছে। ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার সাধারণত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঁচ নম্বর বা তার নিচে ব্যাট করেন। যদিও গত নভেম্বরে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে উদ্বোধনে নেমে ৪০ ও অপরাজিত ১২৫ রান করেছিলেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং বিভাগে আরও একটি পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম টেস্টে এক ও ৩১ রান করা মার্নাস লাবুশেন তিন নম্বর অবস্থান ধরে রাখতে চাপে রয়েছেন। ফলে প্রথম তিন ব্যাটারের মধ্যে দুজনকে পরিবর্তন করার পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং ক্রমে পরিবর্তন আনতে দ্বিধা করেনি। অ্যাশেজেও পাঁচ নম্বর থেকে হেডকে উদ্বোধনে তুলে আনা হয়েছিল।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে এখন ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ম্যাকাইয়ের দ্বিতীয় টেস্ট তাদের জন্য সিরিজে সমতা ফেরানোর পাশাপাশি ধবলধোলাই এড়ানোর ম্যাচ।
অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস, মার্নাস ল্যাবুশেন, নাথান লায়ন, ম্যাথু রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক ও বেউ ওয়েবস্টার।