বৃষ্টিবিঘ্নিত এই টেস্টে ভারত একসময় শ্রীলঙ্কাকে ৯০ রানে ৫ উইকেটে পরিণত করেছিল। তখনই স্বাগতিকদের ফলোঅন করানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে সোনাল দিনুশা ও নিরোশান ডিকভেলা ষষ্ঠ উইকেটে ১৪৬ রানের জুটি গড়ে সেই সম্ভাবনা নষ্ট করেন।
অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই দীনেশ চান্দিমালকে ফিরিয়ে দেন সুথার। এরপর লাহিরু উদারাকে ও পরে আরও দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে নিজের চার উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। শ্রীলঙ্কার শুরুটা অবশ্য আরও কঠিন করে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। প্রথম ওভারেই নিশান মাদুশকাকে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরান তিনি। এরপর সুতারের ঘূর্ণিতে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।
এরপর বল হাতে যোগ দেন জাদেজা। তার ঘূর্ণির ফাঁদে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়েন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। দ্বিতীয় সেশনে অবশ্য ভারতের ওপর চাপ তৈরি করেন দিনুশা ও ডিকভেলা। কয়েকবার ভাগ্যের সহায়তাও পান তারা।
দ্বিতীয় সেশনে দ্রুত রান এলেও কোনো উইকেট পায়নি ভারত। চা-বিরতির পর দ্রুত উইকেটের খোঁজে নামে তারা। শুরুতেই প্রসিধ কৃষ্ণকে চার এবং জাদেজাকে ছক্কা মেরে জুটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ডিকওয়েলা ও দিনুশা। তবে এরপরই দুর্দান্ত এক বলে ডিকওয়েলাকে ৮০ রানে ফেরান প্রসিধ। এরপর কেশারা নুয়ান্থার উইকেট নিয়ে জাদেজা পূর্ণ করেন টেস্টে ৩৫০ উইকেট। তিনি ভারতের নবম স্পিনার হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছান।
অন্যদিকে দিনুশা তখন নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির পথে। প্রবাথ জয়াসুরিয়ার সঙ্গে জুটি গড়ে তিনি শ্রীলঙ্কাকে ফলোঅন এড়ানোর প্রয়োজনীয় রানও এনে দেন। এরপর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দিনুশা। তার পরপরই অবশ্য সুতারের বলে জয়াসুরিয়া আউট হন।
শেষ পর্যন্ত জাদেজার বলে দিনুশাও ফেরেন। লাহিরু কুমারাকে স্টাম্পড করে নিজের চতুর্থ উইকেট পূর্ণ করেন সুথার। শ্রীলঙ্কা অলআউট হয় ২৮৪ রানে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচের সময় কমে যাওয়ায় ভারত ১৩ ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগও হারিয়েছে।