অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে পেস আক্রমণে থাকছেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউড। অভিজ্ঞ স্পিনার নাথান লায়নও রয়েছেন একাদশে।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওপেন করবেন জেক ওয়েদারাল্ড ও ট্রাভিস হেড। তিন নম্বরে থাকছেন মার্নাস লাবুশেন। এরপর স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন। উইকেটকিপার হিসেবে থাকছেন অ্যালেক্স ক্যারি। অলরাউন্ডার বিউ ওয়েবস্টারের পর পেস ও স্পিন আক্রমণে থাকছেন স্টার্ক, কামিন্স, লায়ন ও হ্যাজলউড। ফলে একাদশে জায়গা হয়নি পেসার স্কট বোল্যান্ড ও উইকেটকিপার-ব্যাটার জশ ইংলিসের।
গত জানুয়ারিতে সিডনিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ছিলেন উসমান খাজা। সেই একাদশ থেকে খাজা অবসর নেওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিংয়ে এসেছে পরিবর্তন। তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন ওয়েদারাল্ড। একই সঙ্গে বোল্যান্ডের বদলে একাদশে ফিরেছেন হ্যাজেলউড।
গ্রিন ও ওয়েবস্টারকে একই একাদশে রাখাটাও অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক দল নির্বাচনের আলোচনার বড় বিষয়। দুজনকেই অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হলেও তাদের একসঙ্গে খেলানোর জায়গা নিয়ে সিরিজের আগে আলোচনা ছিল। তবে ওয়েবস্টার জানিয়েছেন, তিনি গ্রিনকে নিজের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন না। বরং দুজন একসঙ্গে খেললে দলের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে গ্রিনকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দল নির্বাচনেও ছিল বেশ আলোচনা। সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং মনে করেন, ব্যাটার হিসেবে গ্রিনের ওপরে ক্যারি ও ওয়েবস্টারকে ব্যাটিং করানো উচিত। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকেরা গ্রিনের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে তাকে দেখা যাবে পাঁচ নম্বর পজিশনে।
বাংলাদেশ সিরিজ দিয়েই অস্ট্রেলিয়ার সামনে শুরু হচ্ছে ব্যস্ত এক টেস্ট সূচি। আগামী এক বছরে তাদের অন্তত ২০টি টেস্ট খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের পর দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ রয়েছে তাদের। ফলে কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউড ও লায়নের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড সামলানোও অস্ট্রেলিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশ: জেক ওয়েদারাল্ড, ট্রাভিস হেড, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি, বিউ ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।