অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক অনুশীলন দেখে বোঝা যাচ্ছিল যে একাদশে খেলতে পারেন এই দুই অলরাউন্ডার। ফিল্ডিং অনুশীলনে প্রথম স্লিপেই দেখা গেছে ওয়েবস্টারকে। এতে ধারণা করা হচ্ছিলো, গ্রিন ও ওয়েবস্টার দুজনকেই একাদশে রাখার পরিকল্পনা করছে অস্ট্রেলিয়া।
সেটিই সত্যি হলো। মূলত ছয় নম্বরে অ্যালেক্স ক্যারির মতো ইনফর্ম উইকেটরক্ষক ব্যাটার থাকার কারণে অতিরিক্ত ব্যাটার নিয়ে খেলছে না অস্ট্রেলিয়া। আর তাই তিন পেসার মিচেল স্টার্ক, কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউড এবং এক স্পিনার নাথান লায়নের পাশাপাশি অজি একাদশে স্থান করে নিলেন দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডারও।
কামিন্স বলেন, 'আমার মনে হয় ৬ নম্বরে ক্যারি আমাদের জন্য বেশ কিছু ম্যাচ জিতেয়েছে। ৬ এবং ৭ নম্বরে তার এবং ওয়েবস্টারের কম্বিনেশন আমার বেশ পছন্দ। মনে হচ্ছে গ্রিন ৫ নম্বরের জন্য ভালো ব্যাটার, তাই... হ্যাঁ, আপনি হয়তো ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করতে পারেন।
'কিন্তু আমরা ভেবেছি এভাবেই দলটি সবচেয়ে ভালো খেলবে। এটা একটা ভালো সমস্যা যে ক্যারির মতো কাউকে দেখে আপনার মনে হবে যে সে এখন যে অবস্থানে খেলছে তার চেয়েও উপরের দিকে ব্যাট করতে পারত।'
অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ব্যাট হাতে মূল পরীক্ষা দিতে হবে গ্রিনকে। টেস্ট দলে ৫ নম্বরে তাকে বাজিয়ে দেখতে চান কামিন্স। তবে টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে কোনো চাপ দেয়া হচ্ছে না গ্রিন বা কাউকে।
কামিন্স আরো বলেন, 'গ্রিন কিছুটা বিরতি পেয়েছে, তাই নিজের খেলা নিয়ে ভাবার মতো কিছুটা সময় সে পেয়েছে। তার বয়স এখন ২৭। তার উচিত ক্যারিয়ার থেকে পাওয়া শিক্ষাগুলো কাজে লাগানো এবং খুঁজে বের করা সে আসলে কেমন খেলোয়াড় এবং যখন সে তার সেরা ফর্মে থাকে তখন সে কীভাবে খেলে। সবাই জানে সে বোলারদের ওপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করে। সে সত্যিই ভীতি জাগানিয়া।'
'গ্রিনের আসলে অনেক বেশি দক্ষতা আছে! তাই তার জন্য কথা হচ্ছে শুধু মাঠে যাও, নিজেকে জাহির করো, বাড়তি চিন্তা ঝেড়ে ফেলো। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই। তোমার পূর্ণ স্বাধীনতা আছে, শুধু যাও এবং খেলো। নিজের জড়তা কাটিয়ে শুধু নিজের খেলাটা খেলো।'