অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউটসহ দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসে কেবল মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরি ছাড়া কোনো ব্যাটারই বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি।
দ্বিতীয় ইনিংসে আরো গুরুতর অবস্থা ছিল শান্ত-মুশফিকদের। ক্যাম্পনেল থমসনের এক স্পেলেই অসহায় আত্মসমর্পন করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। মূল ম্যাচে প্রস্তুতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।
গণমাধ্যমকে শান্ত বলেন, 'প্রস্তুতি ম্যাচের কথা যদি বলি, সত্যি বলতে, এরকম ম্যাচ আমরা আগেও খেলেছি। এরকম একটা খারাপ দিন যেতেই পারে। আমি বিশ্বাস করি টেস্ট ম্যাচে এরকম দিন আসবে না। এটা স্রেফ একটা প্রস্তুতির ধাপ ছিল। এখন আগামীকাল থেকে একটা লড়াই শুরু হবে। সেই চ্যালেঞ্জটা আমরা কত ভালোভাবে গ্রহণ করছি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই সেটার জন্য প্রস্তুত।'
আরো জোর দিয়ে শান্ত বলেন, 'ওটা ছিল একটা প্রস্তুতি ম্যাচ এবং এমনটা হতেই পারে। আমরা নিজেদের প্রস্তুত করার জন্য এখানে আগেভাগেই এসেছি। আমি মনে করি আমরা নিজেদের খুব ভালোভাবে প্রস্তুত করেছি এবং আমরা বেশ আত্মবিশ্বাসী যে এখানে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলব।'
সিরিজের প্রথম টেস্টে পেস বান্ধব উইকেট তৈরি করেছে অস্ট্রেলিয়া। যদিও এই উইকেটে ব্যাটাররাও সাহায্য পাবেন বলে বিশ্বাস আছে শান্তর। কঠিন উইকেটে ইতোমধ্যেই ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ টের পাচ্ছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
তিনি বলেন, 'উইকেটে অবশ্যই স্বাভাবিকভাবেই ঘাস আছে। তবে আমার মনে হয় উইকেটটা ভালো হবে। এখানে বোলিং এবং ব্যাটিং, দুই বিভাগেই সাহায্য থাকবে। তবে বোলাররা হয়তো একটু বেশি সুবিধা পেতে পারে। উইকেট দেখে ভালোই মনে হয়েছে। আমার মনে হয় ব্যাটিং-বোলিং দুই দিক থেকেই চ্যালেঞ্জ থাকবে। চেষ্টা করতে হবে দুই বিভাগেই ভালো করার।'
'ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে অবশ্যই অনেক চ্যালেঞ্জ থাকবে। তাই আমরা ব্যাটিংয়ের ওপর অনেক কাজ করার চেষ্টা করছি। আমার মনে হয়েছে ছেলেরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।'