যদিও নাহিদের চোটের কারণে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজে এই পেসারের ওয়ার্কলোড ঠিকভাবে ম্যানেজ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন নাহিদ কোনোভাবেই অতিরিক্ত বোলিং করেননি।
এরই মধ্যে চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হয়েছে নাহিদ ও তাসকিন আহমেদকে। তবে সেখানে সাইড স্ট্রেইনের চোটের চিকিৎসা করাচ্ছেন না নাহিদ। নাহিদকে অস্ট্রলিয়ায় যেতে হয়েছে শিনবোনের পুরোনো সমস্যার কারণে। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কারণে ব্যথা অনুভব করছেন এই পেসার। নাফিস জানিয়েছেন এখনও তাদের চিকিৎসার রিপোর্ট হাতে আসেনি বিসিবির।
এ প্রসঙ্গে নাফিস বলেছেন, 'ওরা অস্ট্রেলিয়ায় গেছে। সেখানে ওদের সব ধরনের মূল্যায়ন ও স্ক্যান হয়েছে, চিকিৎসকও দেখেছেন। আমাদের মেডিকেল বিভাগের বায়েজিদ ভাই ওদের সঙ্গে সফর করছেন। এখনো অফিশিয়ালি কোনো রিপোর্ট পাইনি, স্ক্যান প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর রিপোর্ট দেওয়া হবে। আমরা আপাতত রিপোর্টের অপেক্ষা করছি।'
নাহিদের চোট নিয়ে খোলাসা করে নাফিস যোগ করেন, 'নাহিদ রানা অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর সে টি-টোয়েন্টি খেলেছিল ১৯ তারিখে। এরপর দীর্ঘ ১৮ দিন পর সে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলে। সেখানে সে ১০ ওভার বল করে, তারপর এরপর ৯ তারিখ আরো ১০ ওভার করে— মোট ২০ ওভার বল করেছিল। ২০ দিনের ব্যবধানে সে ওই ২০ ওভার বল করেছে।'
নাহিদ ২০ দিনের মধ্যে ২৪ ওভার মোটে বল করেছেন। সেটা হিসেব করে জানিয়ে দিয়েছেন নাফিস। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন এখন আর ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট ম্যানুয়ালি ট্র্যাক করা হয় না। সবকিছু দেখভাল করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে। তাই ভুল হওয়ার আশঙ্কা নেই। সেই অনুযায়ী অতিরিক্ত বোলিং করেননি নাহিদ।
এ প্রসঙ্গে নাফিস বলেন, '২০ দিনে ২৪ ওভার বল করাকে কখনোই অতিরিক্ত বোলিং না। আমরা ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড এখন আর ম্যানুয়ালি ট্র্যাক করি না। জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে আধুনিক উপায়ে আমরা তা ট্র্যাক করি। সে অনুযায়ী নাহিদ রানা কোনোভাবেই অতিরিক্ত বোলিং করেনি।'