নাথান এলিসের বলে হেলমেটে আঘাত পাওয়ার পর মাঠেই শুয়ে পড়েন তিনি। তাকে বমি করতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে আনা হয় স্ট্রেচার, প্রস্তুত রাখা হয় অ্যাম্বুলেন্সও। তবে কিছুক্ষণ পর সুস্থ বোধ করলে আবার ব্যাট হাতে নামেন মিরাজ এবং দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন।
যদিও ম্যাচ শেষে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় দলের অপারেশন্স ম্যানেজার নাফিস ইকবাল জানিয়েছেন মিরাজের দুটি সিটি স্ক্যান সম্পন্ন করা হয়েছে। সেখানে রিপোর্ট ভালো আসার কারণে তাকে বাসায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। মিরাজ এখন ভালো অবস্থায় আছেন।
নাফিস বলেন, 'মেহেদী হাসান মিরাজ ওয়ানডে অধিনায়কের সর্বশেষ আপডেট হলো যে সে বাসায় ফিরেছে। অবজারভেশনে ছিল প্রায় ১২ ঘণ্টার মতো এভারকেয়ারে। আপনারা জানেন যে তার মাথায় একটি বাউন্সারে আঘাত লেগেছিল এবং এরপর তার একটু বমি হয়, যা কিছুটা উদ্বেগজনক ছিল।'
মিরাজকে ম্যাচ শেষে হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নাফিস যোগ করেন, 'বিসিবির ডাক্তার ও ফিজিওরা মিলে সিদ্ধান্ত নেন যে তাকে এভারকেয়ারে পাঠানো হবে, যদিও সে তখন ভালোই অনুভব করছিল। এভারকেয়ারে তার স্ক্যান করা হয়। প্রথম স্ক্যানের রিপোর্ট, মাশাআল্লাহ, ভালো আসে এবং আজও তার দ্বিতীয় স্ক্যান করা হয়। রিপোর্ট আলহামদুলিল্লাহ ভালো আসায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।'
মিরাজ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। আগামীকাল বাংলাদেশ দলের অনুশীলন রয়েছে। সেখানেও তিনি যোগ দেবেন কিনা নিশ্চিত নয়। এই ব্যাপারে বিসিবি ডাক্তার ফিজিওরা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন মিরাজ।
নাফিস আরও বলেন, 'আমি নিশ্চিত নই আগামীকালের অনুশীলনের ব্যাপারে। তবে অবশ্যই আমাদের ডাক্তার ও ফিজিও তার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং তার সম্পর্কে, ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল আলোচনা করা যাবে।'