কেন্ট, ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ এবং ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মধ্যে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ক্লাবের বিবৃতিতে জানানো হয়, এই বিরতি ক্রলিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে পুনরায় সতেজ হওয়ার সুযোগ দেবে, যাতে তিনি মৌসুমের বাকি অংশে পুরো মনোযোগ দিয়ে ফিরতে পারেন। আপাতত তার পূর্ণ মনোযোগ থাকবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে, বিশেষ করে ভাইটালিটি ব্লাস্টে।
লাল বলের ক্রিকেটে চলতি মৌসুমে একেবারেই ছন্দে নেই ক্রলি। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ১২ ইনিংসে কোনো ফিফটি ছাড়াই করেছেন ২২৬ রান, গড় ২০.৫৪। ব্যর্থতার সেই আঁচ লেগেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা হারান তিনি, যেখানে তার বদলে সুযোগ পান এমিলিও গে।
ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৪ টেস্ট খেলেছেন ২৮ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান। তবে ধারাবাহিকতা তার ক্যারিয়ারের স্থায়ী সঙ্গী হয়নি। ৩১.১৮ গড় ও পাঁচটি সেঞ্চুর। পরিসংখ্যানই বলে দেয় তার অনিয়মিত পারফরম্যান্সের গল্প। তবু ‘বাজবল’ যুগে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ঘরানার কারণে দীর্ঘদিন দলের আস্থার জায়গায় ছিলেন তিনি। গত অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রানও করেছিলেন এই ওপেনার।
লাল বলের পাশাপাশি সাদা বলের ক্রিকেটেও খুব স্বস্তিতে নেই ক্রলি। চলতি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে এক ম্যাচে অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংস ছাড়া বাকি চার ম্যাচে করেছেন মাত্র ৩০ রান। এই পারফরম্যান্স-দোলাচলের মধ্যেই তিনি নিয়েছেন বিরতির সিদ্ধান্ত। কেন্ট জানিয়েছে, এই সময়টা তাকে পুনরায় প্রস্তুত হয়ে মৌসুমের শেষভাগে আরও শক্তভাবে ফেরার সুযোগ করে দেবে।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে সানরাইজার্স লিডসের অধিনায়ক হিসেবে দেখা যেতে পারে ক্রলিকে। হ্যারি ব্রুক ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আলোচনার পর অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সব মিলিয়ে আপাতত ক্রলির ক্যারিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের দিকেই বেশি ঝুঁকছে।