নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের পাশাপাশি ‘এ’ দল ও অনূর্ধ্ব–১৯ দলের সঙ্গে কাজ করেছিলেন প্যামেন্ট। এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের নর্দান ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কোচ ছিলেন। এসবের বাইরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সহকারী কোচ ছিলেন। কাজ করেছেন ফিল্ডি ও রানিং বিটুইন দ্য উইকেট নিয়েও।
২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যোগ দেন প্যামেন্ট। ২০২৭ সালের অক্টোবর–নভেম্বরের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত জাতীয় দলের ফিল্ডিং হিসেবে চাকরি পেয়েছিলেন তিনি। নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়েছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও পাওয়া যাচ্ছে না তাকে। এমন অবস্থায় তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।
প্যামেন্ট না থাকায় নিউজিল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত ফিল্ডিং কোচ ছিলেন আশিক মজুমদার। অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও একই ভূমিকায় কাজ করবেন তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা আছে আশিকের। গত বিপিএলে কাজ করেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়েও।
বাংলাদেশের চাকরি ছেড়ে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের দায়িত্ব নিচ্ছেন টেইট! এমন গুঞ্জন উঠলেও সেটার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে এসব গুঞ্জনের মাঝেই বাংলাদেশের চাকরি ছেড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার। টেইটের জায়গায় অস্ট্রেলিয়া সিরিজে পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলাবেন তালহা জুবায়ের।