চতুর্থ দিনের শুরুতেই সাফল্য পায় বাংলাদেশ। দলীয় ২৭ রানে নাহিদ রানার বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আব্দুল্লাহ ফজল। ৬ রান করা এই ওপেনারের ক্যাচটি দারুণ দক্ষতায় তালুবন্দি করেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২১ রান করা এই ব্যাটার মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হলে ৪১ রানেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান।
শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ। দুজন মিলে গড়ে তোলেন ৯২ রানের জুটি। তাদের ব্যাটে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে শুরু করে পাকিস্তান। তবে সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৪৭ রান করা বাবর বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দিলে তৃতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা। চারটি চার ও একটি ছক্কায় ইনিংস সাজান পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক।
এরপর আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। ৬ রান করা সাউদ শাকিলকে ওয়াইডিশ ইয়র্কারে পরাস্ত করেন এই পেসার। ব্যাটের কানায় লেগে বল জমা পড়ে লিটনের গ্লাভসে। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নিলেও শেষরক্ষা হয়নি শাকিলের। ১৫৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে কিছুক্ষণ পর। ৭১ রান করা অধিনায়ক শান মাসুদকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম। শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ে ১৬২ রানেই পঞ্চম উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান।
এরপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রিজওয়ান ও সালমান। ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তারা ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন সফরকারীদের। সালমানকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে ১৩৪ রানের জুটিটি ভাঙেন তাইজুল। ফেরার আগে সালমান খেলেন ১০২ বলে ৭১ রানের ইনিংস।
শেষদিকে হাসান আলীকেও শূন্য রানে ফেরান তাইজুল। ১৩৪ বলে ৭৫ রানে ব্যাটিংয়ে আছেন রিজওয়ান। সাজিদ খান আছেন ৯ বলে আট রান নিয়ে।
এর আগে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। ৪৩৬ রানের লিড পাওয়ায় পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান। এখন ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে শেষ দিনের প্রথম সেশনের ওপর।