তৃতীয় দিন শেষেই সিলেট টেস্টে জয়ের সুবাদ পাচ্ছে বাংলাদেশ। এর ছাপ দেখা গেছে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের মধ্যেও। সিলেট টেস্ট জিততে হলে পাকিস্তানকে রেকর্ড গড়তে হবে। টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে সফল রান তাড়ার রেকর্ড ৪১৮ রানের। সেটাই টপকাতে হবে তাদের। অবশ্য পাকিস্তানকে এত বড় লক্ষ্য দিয়েও সন্তুষ্ট না বাংলাদেশ।
দিনের খেলা শেষে তাইজুল ইসলাম ৩০-৪০ রানের আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, 'এখানে সন্তুষ্টির কোনো বিষয় নেই। (ইনিংস) আরও একটু লম্বা করতে পারলে হয়তো দলের জন্য আরও ভালো হতো। উইকেট এখনও ভালো। আমরা যদি আরেকটু ভালো জুটি গড়তে পারতমি, তাহলে হয়তো ভালো হতো।'
তিনি আরও খোলাসা করে বলেন, 'আমরা যদি স্কোরবোর্ডে আরও ২০-৩০-৪০ রান যোগ করতে পারতাম, দলের জন্য ভালো হতো । অবশ্য এখানে হতাশার কিছু নেই। কারণ, সবসময় যে সবকিছু আপনার শতভাগ হবে, এমনটাও নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমনটা হতেই পারে। তার পরও আমার মনে হয়, এই জায়গাটায় আমাদের উন্নতি করার জায়গা আছে।'
মূল পরিচয় বোলার হলেও ব্যাট হাতে নিচের দিকে নেমে কার্যকরী ভূমিকা নিয়মিতই রাখছেন তাইজুল। দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকের সঙ্গে তার ৭৭ রানের জুটিই বড় প্রমাণ। এর আগে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসকে নিয়ে গড়েছিলেন ৬০ রানের আরেকটি জুটি। দিন শেষে এসব জুটিই বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
ব্যাটিংয়ে দলের জন্য অবদান রাখা নিয়ে তাইজুল বলেন, 'আমি যেটুকুই ব্যাটিং পারি বা করি… আসলে আমার স্কিল কত ভালো, আমি জানি না। তবে আমার মনের মধ্যে একটা সাহস কাজ করে যে, আমি পারব। আমার সঙ্গে যদি ব্যাটসম্যান থাকে, আমি চেষ্টা করি তার সঙ্গে কতটুকু জুটি গড়ে স্কোর বাড়ানো যায়।'
এই বাঁহাতি স্পিনার আরও যোগ করেন, 'আমি ভাবি যতক্ষণ স্কোর করতে পারব, হয়তো দলের জন্য লাভ হবে। সেদিক দিয়ে নিজের ভেতরে ‘ব্যাটসম্যান-ব্যাটসম্যান’ একটা ভাবনা আসে আর কী। আসলে অনেকদিন ধরে খেলছি। এই সমযয়ে এসেও যদি দলকে ২০-৩০-৪০ রান না দিতে পারি, এটা একটা বড় ব্যর্থতা।'