সবশেষ কয়েক বছরে বিপিএলে স্পট ফিক্সিং নিয়ে নানান রকম অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ থাকায় এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিলামে রাখেনি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এসব বন্ধ করতে অ্যালেক্স মার্শালকে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের দায়িত্ব দেয়া হয়। অনেকাংশে কমলেও পুরোপুরি থামানো যায়নি স্পট ফিক্সিং।
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরি তাঁর দলের এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। এদিকে বিপিএল চলাকালীন ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বিসিবি পরিচালক মোখলেসুর! এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিম। যেখানে কোথায় কিভাবে ফিক্সিং করতেন সেসবের বেশ কিছু প্রমাণ তুলে ধরেছেন তিনি।
বিসিবির অডিট কমিটির চেয়ারম্যানের বেশ কয়েকটি অডিও ক্লিপ ব্যবহার করেছেন প্রতিবেদনে। এমন অভিযোগ ওঠার পর বিসিবির অডটি কমিটির চেয়ারম্যানসহ সব ধরনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন মোখলেসুর। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করেননি তিনি।
এ প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুকে মোখলেসুর লিখেছেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অডিট কমিটির চেয়ারম্যানসহ আমার সব দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যেন একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করা যায়। এটি কোনোভাবেই দায় স্বীকার নয়; বরং দেশের ক্রিকেট ও প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার প্রতি আমার দায়বদ্ধতার প্রকাশ।’
তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বিসিবির এই পরিচালক লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট আমার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়—এটি আবেগ, ভালোবাসা ও সম্মানের জায়গা। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কষ্টের হলেও বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত অবস্থানের চেয়ে দেশের ক্রিকেটের সুনাম সবার আগে। আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবো এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। সবসময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো।’