সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে হোবার্ট। ৮ বলে ১৩ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন মিচেল ওয়েন। আরেক ওপেনার টিম ইয়ার্ড করেছেন ১৩ রান। দ্রুত রান তুলতে না পারা বেউ ওয়েবস্টারের ব্যাট থেকে এসেছে ২৭ বলে ২৪ রান। হোবার্টের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেছেন বেন ম্যাকডরমট। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৪১ রানে অল আউট হয় হোবার্ট। সিক্সার্সের হয়ে বেন ডোয়ারশিস তিনটি উইকেট নিয়েছেন। দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন মিচেল স্টার্ক, শন অ্যাবট ও জোয়েল ডেভিস।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু আভাস দিয়েছিলেন স্মিথ ও ড্যানিয়েল হিউজ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তাদের দুজনের জুটি ভাঙেন বিলি স্টানলেক। ডানহাতি পেসারের ওয়ার্ডকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৩ রান করা হিউজ। দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন স্মিথ ও জশ ফিলিপে। তাদের দুজনের ব্যাটেই এগোতে থাকে সিক্সার্স। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে আনা হয় রিশাদকে। সেই ওভারে ৬ রান খরচায় উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই ছিলেন উইকেটশূন্য। ডানহাতি লেগ স্পিনার সেই ওভারে একটি চার হজম করে দিয়েছেন ৮ রান।
পাওয়ার সার্জের দ্বিতীয় ওভারে আবারও বোলিংয়ে আনা হয় ২ ওভারে ১৪ রান দেয়া রিশাদকে। ডানহাতি লেগ স্পিনারের বলে সুইচ হিট করার চেষ্টা করেন ৩১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা স্মিথ। তবে ব্যাটে বলে করতে পারলেন না ছন্দে থাকা এই ব্যাটার। বলের লাইন মিস করে স্মিথ বোল্ড হয়েছেন ৪৩ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে। প্রথম বলে উইকেট পেলেও পরের চার বলে একটি ছক্কার সঙ্গে দুইটি চার হজম করেছেন রিশাদ। শেষ বলে অবশ্য বাংলাদেশের তরুণ স্পিনার আরেকটি উইকেট নিয়েছেন। রিশাদের বলে ব্যাকফুটে গিয়ে খেলার চেষ্টায় মিড অনে ক্রিস জর্ডানের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ময়সেস হেনরিকস।
৮ বলে ১৯ রান করে ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার। সেই ওভারে ১৫ রান খরচা করলেও দুইটি উইকেট নিয়ে হোবার্টকে স্বস্তি এনে দিয়েছেন রিশাদ। নিজের শেষ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়েছেন তিনি। কোটার ৪ ওভারে ৩৩ রান খরচায় গুরুত্বপূর্ণ দুইটি উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনার। শেষের দিকে জোয়েল ডেভিড ২৭ ও লাচলান শ ২১ রান করলে ১৯৮ রানের পুঁজি পায় সিক্সার্স। হোবার্টের হয়ে রাইলি মেরিডিথ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়া দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন রিশাদ ও স্টানলেক।