অস্ট্রেলিয়া সুপার এইটেও উঠবে না, এমনটা ভাবেননি ম্যাকগ্রা

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট
গ্লেন ম্যাকগ্রা, ফাইল ফটো
গ্লেন ম্যাকগ্রা, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
চোট জর্জরিত অস্ট্রেলিয়া দলটা শিরোপার জন্য হট ফেভারিট ছিলো না। যদিও যেকোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে অজিদের হিসেবের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। কিন্তু গ্রুপপর্বেই জিম্বাবুয়ে, শ্রীলংকার মত দলের কাছে হেরে তারা বাদ পড়বে এটা অবাক করেছে সবাইকেই। কিংবদন্তি অজি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা অজিদের এমন দুর্দশা আঁচ করতে পারলেও এতটা বেহাল দশা হবে তা ভাবতেও পারেননি।

চোট জর্জরিত অস্ট্রেলিয়া দলটা শিরোপার জন্য হট ফেভারিট ছিলো না। যদিও যেকোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে অজিদের হিসেবের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। কিন্তু গ্রুপপর্বেই জিম্বাবুয়ে, শ্রীলংকার মত দলের কাছে হেরে তারা বাদ পড়বে এটা অবাক করেছে সবাইকেই। কিংবদন্তি অজি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা অজিদের এমন দুর্দশা আঁচ করতে পারলেও এতটা বেহাল দশা হবে তা ভাবতেও পারেননি।

এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম চমক হয়ে এসেছে অস্ট্রেলিয়ার এমন বিপর্যয়। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও শেষ ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে জয় পায় তারা। কিন্তু মাঝের দুই ম্যাচে তারা হেরে যায় তারা জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার কাছে। বিশেষ করে জিম্বাবুয়ের কাছে অজিদের হার এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন। ব্যাটিং অর্ডারের ফর্মহীনতার সাথে একেবারে আনকোড়া বোলিং লাইনআপ বেশ ভুগিয়েছে অজিদের।

সাম্প্রতিককালে যেকোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে নিজেদের সবচেয়ে বাজে ফল নিয়েই ঘরে ফিরে গেছে 'দ্যা মাইটি অজিস'। পুরো বিশ্বকাপ অভিযান নিয়েই প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে বলে মনে করেন অজি কিংবদন্তি ম্যাকগ্রা।

দল নির্বাচন নিয়ে আঙুল তোলার পাশাপাশি ম্যাকগ্রা সামনে আনেন অজিদের রসদের ঘাটতির ব্যাপারটিও। বিশেষ করে পেস বোলিংয়ে বড় দূর্বলতা দেখেন তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী এই পেসার হতাশা প্রকাশ করেন নিজ দেশের এমন হতশ্রী দশায়।

তিনি বলেন, 'আমার ধারণা ছিল, সুপার এইটে উঠবে এই দলটা । তবে সত্যি কথা বলতে, আমার মনে হয়নি যে এর বেশি তারা এগোতে পারে। শেষ পর্যন্ত তারা সুপার এইটেই উঠতে পারেনি, এটা হতাশাজনক। কামিন্স (প্যাট কামিন্স) নেই, স্টার্ক (মিচেল স্টার্ক) -হ্যাজেলউড (জশ হ্যাজেলউড) নেই, বিশাল ব্যবধান হয়ে গেছে এই জায়গাটাতেই। অস্ট্রেলিয়ার বিদায় এবং জিম্বাবুয়ের সুপার এইটে যাওয়া হতাশাজনক, তবে বিস্ময়কর নয়।'

অজিদের এবারেরে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার নাথান এলিস। ২০২১ সালে বাংলাদেশের মাটিতে অভিষিক্ত এলিস অবশ্য টি-টোয়েন্টিতে নিজের ছাপ রাখছেন ধীরে ধীরে। তবে এখনই কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজেলউডদের জায়গা নেবার মতো নন তিনি।

বিশ্বকাপের আগে আগে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক করানো হয় দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ২৫ বছর বয়সী জ্যাক এডওয়ার্ডস ও ২০ বছর বয়সী মাহলি বিয়ার্ডম্যানকে। তাই সব মিলিয়ে বেশ অনভিজ্ঞ এক পেস বোলিং আক্রমণ নিয়েই এবারের বিশ্বকাপে খেলতে এসেছিলো অজিরা।

তাই এখনই নতুন প্রজন্মের পেস বোলারদের গড়ে তোলার সময় বলে মনে করেন ম্যাকগ্রা। কামিন্স-স্টার্ক-হ্যাজেলউডদের উত্তরসূরী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ সঠিক ভাবে করা হচ্ছে না বলেও মত তার।

আরো পড়ুন: