দেশের ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখায় পাকিস্তানে এর আগে এই সম্মাননা পেয়েছিলেন তিনজন ক্রিকেটার। দেশকে একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতানো ইমরান খান এবং পাকিস্তানের দুই কিংবদন্তি পেস বোলার ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসকে এর আগে সম্মানিত করেছিল পাকিস্তান সরকার।
রাষ্টের পক্ষ থেকে এমন সম্মানে ভূষিত হওয়ায় গর্বিত আফ্রিদি। এই সম্মাননা তিনি উৎসর্গ করেন দেশের জন্য জীবন দেয়া শহীদদের। নিজের এক্স একাউন্টে আফ্রিদি লেখেন, 'পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে তামঘা-ই-ইমতিয়াজ পাওয়া আমার জন্য গর্বের। এটি কেবল শহীদ আফ্রিদির জন্যই নয়, পুরো পাকিস্তানি জাতির জন্য সম্মানের। আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং সমর্থন আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। এই পদক তাদের নামে যারা মাতৃভূমিকে রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছে।'
পাকিস্তানের হয়ে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ৫২৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন 'বুম বুম আফ্রিদি' খ্যাত এই অলরাউন্ডার। দেশের হয়ে ২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার সাফল্য আছে তার নামের পাশে। একটা সময় ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড দীর্ঘদিন ছিল আফ্রিদির দখলে। এ ছাড়া ৩৯৮ ওয়ানডেতে ছয় সেঞ্চুরিসহ আট হাজারের বেশি রান ও ৩৯৫ উইকেটের মালিক পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। ৯৯ টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে ১৪১৬ রানের পাশাপাশি ৯৮ টি উইকেটও নেন তিনি।
এ ছাড়া একই অনুষ্ঠানে হিলাল-ই-ইমতিয়াজ সম্মাননায় ভূষিত করা হয় পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক আব্দুল হাফিজ কারদারকে। পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম স্থপতি হিসেবে খ্যাত এই অধিনায়ক মরণোত্তর এই পুরষ্কার জিতেছেন। পাকিস্তানের হয়ে ২৬ টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এই কিংবদন্তি।