লিগটিতে সর্বোচ্চ চারজন এমন ক্রিকেটার খেলতে পারবেন, যারা গত দুই বছরের মধ্যে পূর্ণ সদস্যভুক্ত দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন। শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এক লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।এছাড়াও আসরের আয়োজক প্রতিষ্ঠনগুলোর সাথে যুক্ত থাকার সুবাদে বিশ্ব ক্রিকেটের কয়েকজন বড় তারকাকেই টুর্নামেন্টে দেখা যাবার গুঞ্জন রয়েছে।
লিগটি আয়োজনের সাথে যুক্ত হয়েছে স্পোর্টস এশিয়ান নেটওয়ার্ক এবং আরো দুটি ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ইউনিক স্পোর্টস গ্রুপের সাথে যুক্ত ইংল্যান্ডের পেসার জফরা আর্চার। অন্যদিকে প্রোলিথিক গ্রুপ ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। প্রোলিথিকের প্রতিনিধিত্বকারী সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং লিগটির শুভেচ্ছাদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
গত তিন বছরে এমন গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল যে, আইপিএলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সৌদি আরব বড় পরিসরের একটি টি-টোয়েন্টি লিগ চালু করতে পারে। গত বছর আবার অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবিত ‘গ্র্যান্ড স্ল্যাম’ ধাঁচের টি-টোয়েন্টি সার্কিটেও সম্ভাব্য সৌদি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
তবে আপাতত সেসব পরিকল্পনাকে সরিয়ে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট শুরুর করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজদের অবস্থান তৈরি করা যাবে বলে মনে করছে দেশটি। এর মাধ্যমে সৌদি আরবকে 'বিশ্ব ক্রিকেটের মানচিত্রে জায়গা করে দেওয়া' এবং তরুণ প্রতিভা তুলে আনা যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তেলসমৃদ্ধ দেশটি অর্থনীতিকে সম্প্রসারণের জন্য ফুটবল, টেনিস ও বক্সিংয়ের বড় বড় আসরে বিনিয়োগ করেছে। এ ছাড়া নারী ক্রিকেটারদের নিয়ে 'ফিয়ারব্রেক টি-টোয়েন্টি' চ্যালেঞ্জ আয়োজনের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে তারা।