২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পরও খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন অ্যান্ডারসন। বয়সকে উপেক্ষা করে বল হাতে নিজের কার্যকারিতার প্রমাণও দিয়েছেন তিনি। গত মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় বিভাগে ৫০ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। তার বোলিং গড় ছিল ১৭। এমন পারফরম্যান্সের পরও নতুন চুক্তি না পাওয়ার খবর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
‘দ্য টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর ল্যাঙ্কাশায়ারের নতুন ক্রিকেট পরিচালক পল ফারব্রেস ও প্রধান নির্বাহী রিচার্ড কেনিয়নের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে অ্যান্ডারসনের। সেখানে ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। সেই পরিকল্পনায় অ্যান্ডারসনের জন্য নতুন চুক্তির জায়গা রাখা হয়নি। আগামী ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেয়ার কথা ফারব্রেসের।
অ্যান্ডারসনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটাও ছিল তার নিজের চাওয়ার বিপরীতে। ২০২৪ সালে ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে ছাড়াই সামনে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পর ইংল্যান্ডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাকে রাখা হয়নি। অথচ জাতীয় দলের হয়ে আরও কিছুদিন খেলার ইচ্ছা ছিল এই পেসারের।
নিজের আত্মজীবনীতে বিদায়ের সেই অভিজ্ঞতাকে অপ্রত্যাশিত ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেছেন অ্যান্ডারসন। ২০০২ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে তিনি নিয়েছেন ১১৯৩ উইকেট। এর মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটেই তার শিকার ৭০৪ উইকেট।
ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর অভিষেক হয়েছিল ওই বছরের মে মাসে।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেকে ইংল্যান্ডের অন্যতম সফল পেসার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। ল্যাঙ্কাশায়ার গত মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে মাত্র দুটি জয় পেয়েছিল। নতুন মৌসুমে দলকে নতুনভাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই অ্যান্ডারসনকে নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।