ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের প্রসঙ্গ টেনে দলটির সাম্প্রতিক সময়ের কঠিন পরিস্থিতিকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন তিনি। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ব্যর্থতা নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে বরং দলটির আগের সাফল্যের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন আফগান কোচ।
বাংলাদেশের দেশের বাইরে শেষ ১৬ ওয়ানডের ১৪টিতেই হারের প্রসঙ্গ উঠলে পাইবাস বলেন, 'আমি আসলে এসব নিয়ে কথা বলতে পারছি না। এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই আমার। এখানে আসার আগে তারা অস্ট্রেলিয়াতে দারুণ একটি জয় পেয়েছে, ঐতিহাসিক জয় ছিল।'
দলগুলোর উত্থান-পতনকে ক্রিকেটের স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই দেখছেন পাইবাস। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'কোচ হিসেবে বিভিন্ন ধাপে আমাদের কাজ করতে হয়। বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন স্কোয়াড নিয়ে কাজ করতে হয়। অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশের জয়টা তাদের তৈরি করা বেঞ্চমার্ক ছিল। আমরা যখন ভারতের বিরুদ্ধে খেলেছি, তখনও নিজেদের সেরাটা দিতে চেয়েছিলাম। সেখান থেকেও আমরা কিছু শিক্ষা নিয়েছি। ক্রিকেট দলগুলোকে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতেই হয়।'
বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা পাঁচ ওয়ানডেতে জিততে না পারার রেকর্ড নিয়েও কথা বলেছেন আফগান কোচ। আগের চার ম্যাচে তিনি দলের দায়িত্বে ছিলেন না জানিয়ে পাইবাস বলেন, 'আগের চার ম্যাচ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না, কারণ তখন আমি এই দলের কোচ ছিলাম না। এই ম্যাচ নিয়ে বলতে গেলে, পাওয়ার প্লে'টা মিশ্র ধরনের ছিল। কিছুটা বিশৃঙ্খল বোলিং হয়েছে আমাদের। এর সঙ্গে দারুণ বোলিংও ছিল। ম্যাচটা আমরা নিজেদের হাতে রেখেছি। আবুধাবিতেও খেলোয়াড়দের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চাই না।'
নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পাইবাস প্রশংসা করেছেন দলের বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের। বিশেষ করে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী ও এএম গাজানফারের অবদানের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। আফগান কোচের মতে, শুরুতে বাংলাদেশ ভালো বোলিং করলেও পরে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তার দল।
আগামী ২৩ অক্টোবর শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান। বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ফাইনালের আগেই সিরিজ থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ।