ইন্দোর রান তাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন শাই হোপ। আর্শদীপ সিংয়ের দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন তিনি। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান হোপ আউট হয়েছেন ৫ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি দ্রুত রানও তুলেছেন হেটমায়ার ও পুরান। তাদের দুজনের জুটি ভাঙে হেটমায়ারের বিদায়ে। নামান ধীরের বলে ব্যাকফুটে খেলার চেষ্টায় বোল্ড হয়েছেন তিনি।
৬ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ বলে ৪৩ রান করেছেন হেটমায়ার। চারে নেমে সুবিধা করতে পারেননি রভম্যান পাওয়েল। অক্ষর প্যাটেলের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে ছক্কা মারতে গিয়ে এক্সট্রা কভারে ধরা পড়েছেন। আউট হয়েছেন ৭ বলে ৫ রান করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান একশ হওয়ার পর ফিরেছেন পুরানও। ২৭ বলে ৪২ রান করা ব্যাটারকে ফেরান নামান।
ডানহাতি স্পিনারকে তিন ছক্কা মারার পর বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। কুইন্টিন স্যাম্পসনও আশা জাগিয়ছিলেন। তবে ১৫ বলে ২১ রান করে নীতিশ রেড্ডির বলে আউট হয়েছেন। ছক্কা মারতে গিয়ে ১০ রানে আউট হয়েছেন কিমো পলও। শেরফান রাদারফোর্ডও ক্যারিবীয়দের টানতে পারেননি। ৩২ রানে আউট হয়েছেন আর্শদীপের বলে বোল্ড হয়ে। শেষ দিকে শামার স্প্রিঙ্গারের ১১ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে। ক্যারিবীয়রা থেমেছে ২০৯ রানে। ভারতের হয়ে আর্শদীপ তিনটি উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পায়নি ভারত। তারা শুরুতেই হারায় ওপেনার সাঞ্জু স্যামসনকে। তিনি মাত্র ৩ রান করে ফেরেন। দ্বিতীয় উইকেটে অভিষেক শর্মা ও ইশান কিশান মিলে যোগ করেন ১০৮ রান। আর তাতেই ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। কিশান অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেননি।
তিনি ফিরেছেন ১৮ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার মাত্র ১ রান করে ফিরলে চাপে পড়ে ভারত। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩০ বলে ৬৯ রান করে ফেরেন অভিষেক। এরপর তিলক ভার্মার ১৬ বলে ২৮, নীতিশ কুমার রেড্ডির ১৪ বলে ২১ ও অক্ষর প্যাটেলের ১৪ বলে ২০ রানের ক্যামিওতে বড় সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত।
ইনিংসের শেষ বলে জোসেফেরে বলে শূন্য রানে আউট হন মায়াঙ্ক যাদব। তাতেই ভারতের ইনিংস থামে ২২৩ রানে। প্রিন্স যাদব অপরাজিত থাকেন ১৩ রান করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন রস্টন চেজ, শামার জোসেফ ও শামার স্পিঙ্গার। একটি করে উইকেট নিয়েছেন কিমো পল ও গুড়াকেশ মোতি।