আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র ৩২ বলে ৮২ রান করেন অভিষেক। দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯ বলে করেন ৩৯। তবে তৃতীয় ম্যাচে ছাড়িয়ে যান আগের সবকিছু। মাত্র ৪৫ বলে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন ভারতের এই বাঁহাতি ব্যাটার। ৩০ বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করে পূর্ণ সদস্য দেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি। তিন ম্যাচে ৭৬.৩৩ গড়ে তার সংগ্রহ ২২৯ রান।
অভিষেকের এমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জেতে ভারত। তৃতীয় ম্যাচে তার ১০৮ রানের ইনিংসে ছিল ১১টি ছক্কা। একই ম্যাচে ভারতের পাওয়ারপ্লেতে ১০০ রানও আসে, যা তাদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সিরিজ শেষে ম্যাচসেরার পাশাপাশি সিরিজসেরার পুরস্কারও পান অভিষেক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১০৮ বলে ১১০ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে গিল গড়েন অবিশ্বাস্য কীর্তি। ৪০৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় গিল ১৩৩ বলে অপরাজিত ২২৩ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ২৬টি চার ও ৮টি ছক্কা। এই ইনিংসের ওপর ভর করে ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে ভারত।
গিলের ২২৩ রানের ইনিংসটি সফল রান তাড়ায় কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরও। ৬২ বলে সেঞ্চুরি করে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েন তিনি। সেপ্টেম্বরের পুরো সময়টা তাই তার জন্য ছিল রেকর্ডময়। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার হিসেবে এমন পারফরম্যান্স তাকে মাসসেরার দৌড়ে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্যাট হাতে ধারাবাহিক ছিলেন রাজা। প্রথম ম্যাচে ৫৭ রান করে ক্রেইগ আরভিনের সঙ্গে ৯৮ রানের জুটি গড়েন। দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ৪৫ বলে ৪৫ রান। শেষ ম্যাচে ৭২ বলে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতে দুটি উইকেটও নেন। সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে জিম্বাবুয়ে হেরে গেলেও রাজার অলরাউন্ড পারফরম্যান্স তাকে মাসসেরার দৌড়ে জায়গা করে দিয়েছে।